Laskar-E-Taiba

জম্মু ও কাশ্মীরের জঙ্গলে সেনাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াই, নিকেশ লস্কর-ই-তৈয়বার শীর্ষ জঙ্গি নেতা মুসা, ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় ছিল

সেনাবাহিনীকে দেখে গুলিবর্ষণ শুরু করেন ইসলামিক জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় সেনা। দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির লড়াই শুরু হয়। বেশ কিছু ক্ষণ গুলির লড়াই চলার পর এক ইসলামিক জঙ্গি নিকেশ হয় বলে জানায় স্থানীয় প্রশাসন।

জম্মু ও কাশ্মীরের জঙ্গলে সেনাবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিকেশ লস্কর-ই-তৈয়বার শীর্ষ জঙ্গি নেতা মুসা।
নিজস্ব সংবাদদাতা, জম্মু-কাশ্মীর
  • শেষ আপডেট: ০১ অক্টোবর ২০২৬ ১১:১৯

জম্মু ও কাশ্মীরের বদগাঁওয়ের নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে খতম ইসলামিক জঙ্গি সুলেমান শাহ ওরফে হাসিম মুসা। মহম্মদ আসিফ নামেও পরিচিত ছিল হাসিম মুসা। জম্মু ও কাশ্মীরের একাধিক হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ছিল মুসা। লস্কর-ই-তৈয়বার ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় ছিল এই মুসা।

মঙ্গলবার কাশ্মীরের ইউসমার্গের কোরাগ এলাকায় ভারতীয় সেনা অভিযান শুরু করে। সঙ্গে ছিল পুলিশও। সেখানে রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের জওয়ানেরা ওই এলাকায় কিছু সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ করেন। তার পরেই দুধপাথরির জঙ্গলে শুরু হয় ব্যাপক তল্লাশি অভিযান। জঙ্গল এলাকায় পাকিস্তানের ইসলামিক জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছেন সন্দেহে কয়েকটি ঘাঁটিতে যান জওয়ানেরা। সেনাবাহিনীকে দেখে গুলিবর্ষণ শুরু করেন ইসলামিক জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় সেনা। দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির লড়াই শুরু হয়। বেশ কিছু ক্ষণ গুলির লড়াই চলার পর এক ইসলামিক জঙ্গি নিকেশ হয় বলে জানায় স্থানীয় প্রশাসন।

ভারতীয় সেনার চিনার কোর জানিয়েছে, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বদগাঁওয়ে অভিযান চালানো হয়েছিল। নিকেশ হওয়া ইসলামিক জঙ্গি সুলেমান শাহ ওরফে হামিম মুসা বিগত কয়েক দিন ধরেই পীরপঞ্জাল পর্বতমালার দু’দিকে একাধিক হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত রয়েছে। সেই কারণে ওই এলাকায় মুসার খোঁজ চলছিল।

চলতি মাসের শুরুর দিকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বদগাঁও এবং পুঞ্চ জেলার সীমানায় আশদার গালি এলাকায় রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, সিআরপিএফ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের যৌথবাহিনী অভিযান চালায়। ইউসমার্গে ভারতীয় সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে নিকেশ হয় ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার কমান্ডার ইয়াসির। সেনাবাহিনী সূত্রে দাবি, ইয়াসির একদা মুসার ঘনিষ্ঠ ছিল। পরবর্তী কালে মতবিরোধের কারণে আলাদা হয়ে যায়। গড়ে তোলে নতুন গোষ্ঠী। তবে নিরাপত্তাবাহিনীর অনুমান, ৫ সেপ্টেম্বরে ভারতীয় সেনা যখন অভিযান চালায়, তখন ইয়াসির এবং মুসা একসঙ্গেই ছিল। ইয়াসির গুলির লড়াইয়ে খতম হলেও পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় মুসা।

সেনাকর্তাদের মতে, জম্মু ও কাশ্মীরে ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার নেটওয়ার্ক বিস্তার করার নেপথ্যে ছিল এই মুসা। উপত্যকা জুড়ে নানা ধরনের জঙ্গি হামলার কারিগর ছিল মুসা।


Share