32nd Film Festival Logo

৩২তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের লোগো প্রকাশ, উদ্বোধন ভিক্টোরিয়ায়, চমকের ইঙ্গিত মিঠুনের

৩২তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ১৬ থেকে ২৩ ডিসেম্বর, উদ্বোধন ভিক্টোরিয়ায়, একঝাঁক তারকার উপস্থিতি ও একাধিক চমকের ইঙ্গিত মিঠুনের।

আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের লোগো।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০১ নভেম্বর ২০২৬ ০৯:১০

৩২তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবকে ঘিরে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেল জোরকদমে। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় প্রকাশ্যে এল এবারের চলচ্চিত্র উৎসবের লোগো। লোগো প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘ডিস্কো ড্যান্সার’ মিঠুন চক্রবর্তী, উৎসবের চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, অভিনেতা জিৎ, হিরণ, রুদ্রনীল ঘোষ এবং অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। এবারের উৎসবে আয়ারল্যান্ডকে ফোকাস কান্ট্রি হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৬ থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে চলচ্চিত্র উৎসব।

উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে। উদ্বোধনী ছবি দেখানো হবে সেখানেই। রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সচিব সৌমিত্র মোহন এই অনুষ্ঠানে উদ্বোধনস্থল সম্পর্কে জানান। উৎসবে অংশগ্রহণের জন্য ডেলিগেট কার্ডের অনলাইন আবেদন শুরু হবে আগামী ৫ নভেম্বর থেকে। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের বিশেষ ওয়েবসাইটে আবেদন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এবং প্রদর্শিত ছবির তালিকা পাওয়া যাবে।

এবারের উৎসবকে ঘিরে একাধিক চমকের ইঙ্গিত দিয়েছেন উপদেষ্টা মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁর কথায়, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে উৎসবের প্রতিটি দিনই তিলোত্তমা কলকাতাকে আনন্দে ভরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। উৎসবকে সফল করতে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, জিৎ, হিরণ এবং রুদ্রনীল ঘোষকে সামনে রেখে বিশেষ পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মিঠুনের দাবি, এবারের উৎসবে উপস্থিত থাকতে পারেন একঝাঁক তারকা। তাঁদের তালিকায় রয়েছেন রজনীকান্ত, প্রভাস, অক্ষয় কুমার, সঞ্জয় দত্ত, পরেশ রাওয়াল, অনুপম খের, জনি লিভার, কঙ্গনা রানাওয়াত এবং পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ। থাকবেন মিঠুন নিজেও।

উৎসবের চেয়ারম্যান প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় জানান, এবারের চলচ্চিত্র উৎসবের জন্য তৈরি হচ্ছে একটি বিশেষ থিম সং। প্রতিটি ছবির প্রদর্শনের আগে গানটি দেখানো হবে। থিম সং তৈরির দায়িত্বে রয়েছেন রাতুল শংকর। অন্যদিকে, উৎসবের লোগো তৈরি করেছেন সন্দীপ রায়। মিঠুন আরও জানিয়েছেন, এবারের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ফিল্ম বাজারেরও আয়োজন করা হবে। সব মিলিয়ে ৩২তম চলচ্চিত্র উৎসবকে স্মরণীয় করে তুলতে একাধিক নতুন উদ্যোগের পরিকল্পনা রয়েছে আয়োজকদের।


Share