Mysterious Death

বাঁকুড়ার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের মেস থেকে উদ্ধার ছাত্রের ঝুলন্ত মৃতদেহ, কীভাবে মৃত্যু, তদন্ত শুরু করল পুলিশ

বাঁকুড়ার কালপাথর এলাকায় এক পলিটেকনিক ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তৃতীয় বর্ষের ছাত্র রাহুল মাজির দেহ মেসের ঘর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার সন্দেহ করলেও কী কারণে এই চরম পদক্ষেপ, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, বাঁকুড়া
  • শেষ আপডেট: ২২ নভেম্বর ২০২৫ ০৬:১৯

বাঁকুড়া সদর থানার কালপাথর এলাকায় এক পলিটেকনিক ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়ার রহস্যমৃত্যু। যা এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যতা তৈরি করেছে। শনিবার বিকেলে মেস থেকে পড়ুয়ার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতের নাম রাহুল মাঝি। তিনি তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ। চিকিৎসক রাহুলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরে তাঁর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে। কেন হঠাৎ তাঁর এই পদক্ষেপ? তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। আপাতত একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাহুল মাঝি বাঁকুড়ার কালপাথর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি একটি সরকারি পলিটেকনিক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে

তৃতীয় বর্ষে পড়তেন। কলেজের ঠিক পাশের একটি মেসে থাকতেন। 

শুক্রবার মেসের অন্যান্য পড়ুয়ারা বিষ্ণুপুরের একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পরীক্ষা দিতে গেলেও যাননি রাহুল। মেসে তিনি একাই ছিলেন। 

বিকেলে বন্ধুরা ফিরে এসে দেখেন, দরজাটি বন্ধ। অনেক ডাকার পরও ভিতর থেকে কোনো সাড়া পায়নি তাঁরা। এরপরে তাঁরা জানালা খুলে রাহুলের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। পরে মেসের মালিক সেখানে এসে দরজা খোলেন। তড়িঘড়ি তাঁর দেহ নামানো হয়। কিন্তু চিকিৎসক জানান, তাঁর মৃত্যু হয়েছে। রাহুলের বাবা গণেশ মাজি কান্না জড়ানো গলায় বলেন, ‘ছেলে খুবই বাধ্য ছিল। পড়াশোনাতেও বরাবর ভালো। কী যে হলো!’ মেসের মালিক সৌরভ মণ্ডল জানান, তিনি অন্য ছাত্রদের কাছে থেকে ওই পড়ুয়ার বিষয়ে খবর পান। এর পরে এসে দরজা খোলেন। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের অনুমান, আত্মঘাতী হয়েছেন ওই ছাত্র। তবে কেন এই চরম পদক্ষেপ, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


Share