Murder Case

যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ, আলুর জমি থেকে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, আটক চার জন

এই ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না তা দেখছে পুলিশ। শনিবার মৃতদেহটি বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্যে পাঠানো হয়েছে। কোতুলপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কোতুলপুর
  • শেষ আপডেট: ৩০ নভেম্বর ২০২৫ ০২:০৮

আলুর জমি থেকে উদ্ধার যুবকের রক্তাক্ত মৃতদেহ। মৃতের নাম সুমন মণ্ডল (৩১)। শুক্রবার রাতে বাঁকুড়ার কোতুলপুর এলাকার মিল মোড়ের কাছে দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।  দেহটি উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসক সুমনকে মৃত বলে ঘোষণাকরেন। কী কারণে এই ঘটনা তার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই কোতুলপুর থানার পুলিশঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশ জানায়, মৃতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। পুলিশের সন্দেহ, ওই যুবককে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। তারপরে আলুর খেতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। সুমন কোতুলপুরের পাহাড়পুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বেসরকারি ব্যাঙ্কে কাজ করতেন। শুক্রবার রাতে তিনিওন্দা থেকে মোটরবাইকে করে বাড়ি ফিরছিলেন। মিল মোড়ের কাছে পৌঁছোতেই কয়েক জন যুবক সুমনের পথ আটকায়। এরপরে পিছন দিক থেকে কেউ ছুরি দিয়ে কুপিয়ে সুমনকে খুন করে। তাঁকে আলুর জমিতে ফেলে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সুমনের। পরে স্থানীয়রা মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবরদেন। পুলিশ জানিয়েছে, পাশের গ্রামের এক বিবাহিত মহিলার সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল সুমনের।সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আসতেই মহিলার স্বামীর সঙ্গে সুমনের ঝামেলা হয়। বারবার সাবধান করার পরেও সুমন ওই সম্পর্ক থেকে সরে আসেননি। পুলিশের সন্দেহ তার জেরেই ওই গৃহবধূর স্বামী সুমনকেখুন করেন। সেই সূ্ত্র ধরেই মোট চার জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।

এ ছাড়াও, এই ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না তা দেখছে পুলিশ। শনিবার মৃতদেহটি বিষ্ণুপুর জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্যে পাঠানো হয়েছে। কোতুলপুর থানার পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে।


Share