Suvendu Adhikari

মোচার তরকারি থেকে ইলিশ ভাপা, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে প্রথম মায়ের হাতের রান্না খেলেন শুভেন্দুর অধিকারী, শান্তিকুঞ্জে জনপ্লাবন

জানা গিয়েছে, এদিন মধ্যাহ্নভোজে মুখ্যমন্ত্রীর পাতে ছিল মোচার তরকারি, সর্ষে ইলিশ ভাপা, পোনা কালিয়া, করলা সেদ্ধ, মুরগির মাংস। শেষ পাতে ছিল টক দই।

শান্তিকুঞ্জের বাইরে জনপ্লাবন।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কাঁথি
  • শেষ আপডেট: ১০ মে ২০২৬ ১০:৪২

শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। স্বাধীনতার পরে এই প্রথম বিজেপি সরকার রাজ্য পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছে। এই সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শপথ নিলেন শুভেন্দু। তারপরেই সমস্ত কাজ শেষ করে রওনা দিয়েছিলেন কাঁথির 'শান্তিকুঞ্জ'-এর উদ্দেশ্যে। রবিবার বিকেল পর্যন্ত বাড়িতে পরিবারের সঙ্গেই কাটালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। শুভেন্দু মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরের দিন সকাল থেকেই শান্তিকুঞ্জের সামনে ভিড় জমিয়েছিল মানুষের। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম দিন বাড়িতে কাটালেন শুভেন্দু।

রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর রবিবার সকাল থেকেই শুভানুধ্যায়ীরা দেখা করতে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গে। যদিও সকাল থেকে তিনি কারোও সঙ্গেই দেখা করেননি। বিগত দিনের বিধ্বস্ততার কারণেই তিনি সকাল থেকেই বিশ্রাম নিয়েছিলেন। সেকারণে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর বাবা শিশির অধিকারী এবং দুই ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী ও সৌমেন্দু অধিকারী শুভানুধ্যায়ীদের সঙ্গে দেখা করলেন দফায় দফায়। পাশাপাশি, বিভিন্ন সরকারি অধিকারিকেরাও মুখ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতে আসেন। ফুল, মিষ্টি-সহ বিভিন্ন আনা উপহার গ্রহণ করলেন দিব্যেন্দু, সৌমেন্দুরা। এখন সারা শান্তিকুঞ্জ পদ্মফুলের উপহারে ভর্তি হওয়ার অবস্থা।

এ দিন শান্তিকুঞ্জের সামনে এক বিজেপি কর্মী ব্রোঞ্জের তৈরি চিতা নিয়ে হাজির হন। উত্তম দাস নামে ওই বিজেপি কর্মী দমদমের বাসিন্দা। তিনি মনে করেন, শুভেন্দু অধিকারী ‘বাংলার বাঘ’। তাই এই মূর্তিটি মুখ্যমন্ত্রীকে উপহার স্বরূপ দেবেন। আবার কেউ শঙ্খ নিয়ে শুভেন্দুর বাড়ির সামনে হাজির হন।

শুভেন্দুর জন্য এ দিন তাঁর মা ও মাসি মিলে একাধিক খাবারের আয়োজন করেন। জানা গিয়েছে, এ দিন মধ্যাহ্নভোজে মুখ্যমন্ত্রীর পাতে ছিল মোচার তরকারি, সর্ষে ইলিশ ভাপা, পোনা মাছের কালিয়া, করলা সেদ্ধ এবং মুরগির মাংস। শেষ পাতে ছিল টক দই। বিকেলে শান্তিকুঞ্জ থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।


Share