Special Intensive Revision

এসআইআরের নিয়ে জেলাশাসকের কাজে ক্ষুব্ধ নির্বাচন কমিশনার, ভর্ৎসিত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডিইও, আবার নিজের দায়িত্ব মনে করিয়ে দিল নির্বাচন সদন

শুক্রবার দুপুরে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ কমিশনের সম্পূর্ণ বেঞ্চ রাজ‍্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়ালের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। বৈঠকে অতিরিক্ত এবং যুগ্ম সিইও-রাও ছিলেন। একই সঙ্গে, জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বা জেলাশাসকদেরও ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৩:০৮

রাজ‍্যে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর কাজ নিয়ে ক্ষুব্ধ নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে রীতিমতো ধমক খেলেন দক্ষিণ ২৪পরগনার জেলাশাসক বা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক। এ ছাড়াও, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, মালদহের জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। সবমিলিয়ে একাধিকজেলাশাসকের ভূমিকায় কার্যত বিরক্ত নির্বাচন সদন।

রাজ‍্যে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর কাজ নিয়ে ক্ষুব্ধ নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে রীতিমতো ধমক খেলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক বা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক। এ ছাড়াও, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, মালদহের জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। সবমিলিয়ে একাধিক জেলাশাসকের ভূমিকায় কার্যত বিরক্ত নির্বাচন সদন।

শুক্রবার দুপুরে জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ কমিশনের সম্পূর্ণ বেঞ্চ রাজ‍্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়ালের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। বৈঠকে অতিরিক্ত এবং যুগ্ম সিইও-রাও ছিলেন। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বা জেলাশাসকদেরও ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল। সেই বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ তালিকা পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত-সহ বাকি রোল অবজার্ভারেরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

কমিশন সূত্রের খবর, এ দিন বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক বা জেলা নির্বাচনী আধিকারিককে কার্যত ভর্ৎসনা করেছেন নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তাঁর বিরুদ্ধে জাল নথি আপলোড করার ক্ষেত্রে ছাড়পত্র দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, মালদহ, উত্তর ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসকদের একই অভিযোগ রয়েছে। কমিশন সূত্রে এ-ও জানা গিয়েছে, ভোটারের জাল নথি কীভাবে আপলোড হয়ে গেল, তা কেন যাচাই করা হল না, তা নিয়েও কমিশনের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে ডিইও-দের।

এর পাশাপাশি ওই জেলার কিছু এইআরও-রা কোন কর্তৃত্ববলে মাইক্রো অবজার্ভারদের এইআরও-রা ডেকেছিলেন, তা নিয়েও দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় বলে কমিশন সূত্রের খবর। এ ছাড়াও, কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে বিলম্বের জন্য ‘তিরস্কার’ করা হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসকের গাফিলতিতেও ক্ষুব্ধ কমিশন।

অন্য দিকে, পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক বক্তব্য না দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। তিনি জেলাশাসক অন‍্যদিকে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক। তাই রাজনৈতিক বক্তব্য রাখা তার কাজ নয় বলেও মনে করিয়ে দিয়েছে নির্বাচন সদন।


Share