Rape Case

ধর্ষণের অভিযোগে জামিন, সৎমেয়েকে নিয়ে ওড়িশায় উধাও! ৭ মাস পর গ্রেফতার সৎবাবা

প্রায় সাত মাস ধরে তল্লাশির পর ওড়িশা থেকে সিন্টু পাড়ুইকে গ্রেফতার করল হাড়োয়া থানার পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে নাবালিকাকেও। শনিবার ধৃতকে বসিরহাট মহকুমা আদালতে পেশ করা হচ্ছে।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর ২৪ পরগনা
  • শেষ আপডেট: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:২৫

সাত মাস ধরে খোঁজ চলছিল। শেষ পর্যন্ত ওড়িশা থেকে গ্রেফতার করা হল নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্তকে। অভিযোগ, জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর সেই নাবালিকা, অর্থাৎ নিজের সৎমেয়েকেই বাড়ি থেকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করেন তিনি। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের পাশাপাশি নাবালিকাকেও উদ্ধার করেছে হাড়োয়া থানার পুলিশ। উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়া থানা এলাকার ঘটনাটি ঘটেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম সিন্টু পাড়ুই। তিনি হাড়োয়া থানা এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রের খবর, বছর খানেক আগে এক বিবাহিত মহিলাকে সিন্টু বিয়ে করেছিলেন। ওই মহিলার আগের পক্ষের একটি নাবালিকা মেয়ে রয়েছে।

অভিযোগ, ২০২৫ সালে একদিন বাড়িতে স্ত্রী না থাকার সুযোগে ওই নাবালিকাকে তিনি ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর তাঁর স্ত্রী পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল। পরে জামিনে জেল থেকে তিনি ছাড়া পান।

অভিযোগ, জামিনে মুক্তি পাওয়ার কিছুদিন পরই নাবালিকাকে নিয়ে বাড়ি থেকে সিন্টু পালিয়ে যান। পরে তাঁকে বিয়ে করেন বলেও অভিযোগ। মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে ফের থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তাঁর স্ত্রী। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, নাবালিকাকে সঙ্গে নিয়ে অভিযুক্ত ওড়িশায় গা ঢাকা দিয়েছেন।

এরপর থেকেই সিন্টুর সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ। প্রায় সাত মাস ধরে বিভিন্ন সূত্র মারফত তথ্য সংগ্রহের পর অবশেষে ওড়িশায় তাঁর অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারেন তদন্তকারীরা। দু’দিন আগে ওড়িশার একটি গোপন আস্তানায় অভিযান চালিয়ে সিন্টুকে গ্রেফতার করা হয়। সেখান থেকেই নাবালিকাকেও পুলিশ উদ্ধার করে।

জেলার এক পুলিশকর্তা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছিল। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই করে ওড়িশায় তাঁর অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। এরপর হাড়োয়া থানার পুলিশের একটি দল সেখানে গিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে এবং নাবালিকাকে উদ্ধার করে। শনিবার ধৃতকে বসিরহাট মহকুমা আদালতে পেশ করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।


Share