Sukanta Majumder

আগামী ১৮ জানুয়ারি সিঙ্গুরে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী, সভাস্থল পরিদর্শনে সুকান্ত মজুমদার, সিঙ্গুরে শিল্প ফেরানোর ডাক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর

সুকান্ত মজুমদার বলেন, "মমতা ব্যানার্জির পাল্লায় পড়লে এরকমই হবে। কারন তাঁর পাল্লায় পড়লে নাকও যাবে নরুনও যাবে। মমতা শুধু নিজের পরিবারের জন্য করে কারোর জন্য কিছু করেনা।"

সুকান্ত মজুমদার
নিজস্ব সংবাদদাতা, সিঙ্গুর
  • শেষ আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ০৪:৩২

আগামী ১৮ জানুয়ারি সিঙ্গুরে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বুধবার, সিঙ্গুরের সেই সভাস্থলের প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন প্রাক্তন রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। এ দিন প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলে এসে শিল্পবার্তা দিলেন বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, "বিজেপি সরকার আসুক, টাটা আবার ফিরবে। আমরা জানি কীভাবে শিল্প করতে হয়। আমরা উত্তরপ্রদেশে ডিফেন্স করিডর করেছি। অন্যটি রয়েছে তামিলনাড়ুতে। আর কোথাও নয়।" 

টাটার ফেলে যাওয়া জমিতে পরবর্তীকালে শিল্পও হয়নি আবার চাষাবাদও করা যায়নি। সিঙ্গুরের স্থানীয় বাসিন্দাদের এই অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাল্লায় পড়লে এরকমই হবে। কারণ তাঁর পাল্লায় পড়লে নাকও যাবে নরুনও যাবে। মমতা শুধু নিজের পরিবারের জন্য করে অন্য কারোর জন্য কিছু করেন না।"  

তিনি আরও জানান, “পশ্চিমবঙ্গে শিল্প নেই কারণ মুখ্যমন্ত্রী চান না শিল্প হোক। মুখ্যমন্ত্রী চান মানুষ গরীব থাকুক। মানুষ ঘুগনি বিক্রি করুক। উনি ভাতা দেবেন সেই ভাতায় পশ্চিমবঙ্গের যুবকেরা ছোলা কিনে ঘুগনি বিক্রি করবেন। আর মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপোরা গরু ও কয়লা পাচার করবে। উনি চান শুধুমাত্র ওনার পরিবার ভালো থাকবে।”

প্রসঙ্গত, প্রায় দেড় দশক আগে সিঙ্গুরে টাটার ন্যানো ফ্যাক্টরি করার উদ্যোগ নেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সেই সময় তিন ফসলী জমি কৃষকদের কাছ থেকে জোর করে কেড়ে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুরু হয় জমি বাঁচাও আন্দোলন। এই সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আন্দোলনকে সরাসরি সমর্থন করেছিলেন এনডিএ শরিক বিজেপি। দেড় দশক পড়ে সেই ইতিহাসই যেন আবার হাতছানি দিচ্ছে এ রাজ্যে। ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটের কেন্দ্রবিন্দু টাটার ফেলে যাওয়া সেই সিঙ্গুর।


Share