Saraswati Puja

সরস্বতী পুজোর বিসর্জনকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র কৃষ্ণনগর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের লাঠিচার্জ

বারোয়ারি ও গেট রোড বারোয়ারি ক্লাবের মধ্যে বাগানুবাদ বাঁধে। ক্রমেই তা হাতাহাতিতে পরিণত হয়। এরপরে একে অপরের উপরে ইটবৃষ্টি শুরু হয় শুরু। প্রায় ৪০ মিনিটের জন্য বিসর্জন স্তব্ধ হয়ে যায়।

সরস্বতী পুজোর বিসর্জনকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কৃষ্ণনগর
  • শেষ আপডেট: ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ ০৪:৩৯

ফের সরস্বতী পুজো ঘিরে অশান্তি। এ বার ঘটনাস্থল নদিয়ার কৃষ্ণনগর। সেখানে প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে দুই ক্লাবের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। দু’পক্ষের মধ্যে ইটবৃষ্টি-মারামারি জেরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের লাঠিচার্জ করে।

রবিবার রাতে সরস্বতী বিসর্জনের শোভাযাত্রা ছিল কৃষ্ণনগরে। জলঙ্গি নদীতে বিসর্জন চলছিল। কোতোয়ালী থানা সংলগ্ন এলাকায় ষষ্ঠীতলা বারোয়ারি ও গেট রোড বারোয়ারি ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে বচসা শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যেই তা হাতাহাতিতে পরিণত হয়। এরপরে একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় ৪০ মিনিটের জন্য বিসর্জন স্তব্ধ হয়ে যায়। 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মাঠে নামে কোতোয়ালী থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। নামে র‍্যাফ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। কথায় কাজ না হলে লাঠিচার্জ করতে বাধ্য হয় পুলিশ। আতঙ্কে প্রতিমা ফেলে পালান একাধিক ক্লাবের সদস‍্যেরা। এরপর রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে ফের শুরু হয় বিসর্জন। অশান্তি পাকানোর অভিযোগে বেশ কয়েক জনকে আটক করা হয়ে বলে পুলিশ সূত্রের খবর।

অতীতে একাধিক বার প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়েছে নদিয়ার কৃষ্ণনগর। জগদ্ধাত্রী পুজোর বিসর্জন ঘরে গত বছর দুই ক্লাবের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশের বিরুদ্ধেও কুকথা বসার অভিযোগ ওঠে। সেই বারও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছিল। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষোভ সভাও করেছিলেন রাজ্য বিজেপি প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।


Share