Coal Scam

কয়লা পাচার মামলার তদন্তে নেমে জামুড়িয়ার ব‍্যবসায়ীর ৭০ লক্ষ নগদ উদ্ধার, মিশিনের সাহায্যে চলছে গণনা

সোমবার সকালে রমেশ জামুড়িয়া বাজার সংলগ্ন পাঞ্জাবি মোড় এলাকায় ব্যবসায়ী রমেশ বনসলের বাড়ি, তাঁর দুই পুত্র সুমিত বনসল এবং অমিত বনসলের বাড়িতেও ইডি সকাল থেকে তল্লাশি চলছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৫:১২

সকাল থেকে বালি এবং কয়লা পাচারে কান্ডে আর্থিক লেনদেনের তদন্তে কলকাতা-সহ রাজ্যের নয়টি জায়গায় চলছে ইডির তল্লাশি অভিযান। ইডি সূত্রের খবর, সেখান থেকে আপাতত ৭০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। টাকা গোনার মেশিন নিয়ে গণনা চলছে। এ ছাড়াও, বেশ কিছু অপরাধে সংক্রান্ত নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কিছু ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার সকালে রমেশ জামুড়িয়া বাজার সংলগ্ন পাঞ্জাবি মোড় এলাকায় ব্যবসায়ী রমেশ বনসলের বাড়ি, তাঁর দুই পুত্র সুমিত বনসল এবং অমিত বনসলের বাড়িতেও ইডি সকাল থেকে তল্লাশি চলছে। এর পাশাপাশি জামুড়িয়ার পঞ্জাবি মোড়ে একটি হার্ডওয়্যারের দোকান এবং একটি গুদামেও ইডি আধিকারিকেরা গিয়েছেন। জামুড়িয়া হাটতলা এলাকার বনসল হার্ডওয়্যার নামের একটি দোকানেও তল্লাশি চলছে। দোকানটি রমেশের ছেলে অমিত বনসলের বলে জানা গিয়েছে।

কয়লা এবং বালি পাচারের টাকা কী ভাবে ঘুরপথে পাচার করা হয়েছে, কার কার কাছে টাকা পৌঁছে গিয়েছে, তা জানতে মূলত এই তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে ইডির একটি সূত্র। ইডি আধিকারিকেরা অনুমান, রমেশ বনসল এবং তাঁর দুই ছেলের বাড়ি ও হার্ডওয়্যারের দোকানে অপরাধ সংক্রান্ত নথি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণেই সেখানে ইডি আধিকারিকেরা সেখানে তল্লাশি চালাচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। রমেশের বাড়ি থেকে এখনও পর্যন্ত ৬৮ লক্ষ টাকার বেশি নগদ উদ্ধার হয়েছে। টাকা গোনার মেশিন আনা হয়েছে। তার সাহায্যে গণনার কাজ চলছে।

এর পাশাপাশি পান্ডবেশ্বরে মফিজুলের বাড়িতেও ইডির আধিকারিকেরা তল্লাশি চালাচ্ছেন। তিনি কয়লা ব‍্যবসায়ী বলে জানা গিয়েছে। এমনকী, পুলিশ আধিকারিকের বাড়িতেও ইডির আধিকারিকেরা তল্লাশি চালাচ্ছেন। মনরঞ্জন মন্ডল বুদবুদ থানার ওসি। ২-৩ দিন আগে তিনি দায়িত্বে এসেছেন।  তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, অবৈধ ভাবে কয়লা পাচারের সাহায্য করা, টাকা পাচার এবং কয়লা মাফিয়াদের কাছ থেকে ‘প্রটেকশন মানি’ হিসেবে টাকা নিয়েছেন। ২০২৪ সালে তিনি সাসপেন্ড (নিলম্বিত) হয়েছিলেন। তখন তিনি বারাবনি থানার ওসি ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছিল।


Share