Special Intensive Rivision

এসআইআর আতঙ্কে আত্মহত্যা ভাতারের এক গৃহবধূর, পরিবারের সাথে যোগাযোগ রেখেছেন অভিষেক, বিকেলে আসতে পারেন সায়নী

এসআইআর আতঙ্কে আত্মহত্যা করল এক মহিলা। শুক্রবার গভীর রাতে গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগান তিনি। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেলে যেতে পারেন সায়নী ঘোষও।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব বর্ধমান
  • শেষ আপডেট: ২৯ নভেম্বর ২০২৫ ০৩:৫৮

পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে এসআইআর আতঙ্কে আত্মহত্যা করল এক মহিলা। পরিবারের অভিযোগ, এসআইআর ফর্ম ফিলআপ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দুশ্চিন্তায় ভুগছিলেন মাস্তুরা খাতুন (৪০)। সেই মানসিক চাপ থেকেই শুক্রবার গভীর রাতে গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন লাগান তিনি। ভাতারের ভূমশোর এলাকায় ঘটে এই ঘটনা। তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবারের দাবি, মাস্তুরা এসআইআর ফর্ম জমা দিতে দ্বিধায় ছিলেন। ঘটনার খবর পেয়ে ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। তৃণমূল সূত্রে জানা যায়, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। বিকেলেই তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ মৃতের বাড়িতে পৌঁছনোর কথা।

বিষয়টি নিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচন কমিশনের কাছে একটাই প্রশ্ন, আর কত প্রাণ যাবে? যে কাজ দু’বছরের, সেই কাজটা তড়িঘড়ি দু’মাসে শেষ করতে গিয়ে ৪৫ জনের কাছাকাছি মানুষের প্রাণ চলে গেল। জানি না আর কত প্রাণ গেলে নির্বাচন কমিশন আর বিজেপি থামবে।’

অন্যদিকে, বিজেপি নেতা লক্ষ্মণ ঘোড়ুইয়ের প্রতিক্রিয়া, ‘তৃণমূল জানে, বাংলায় এসআইআর হলে তাদের গদি টলমল হয়ে যাবে। তাই প্রথম থেকেই ওরা বিরোধিতা করছে।’ পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে।


Share