Murder

মেয়ের বাড়িতে সন্ধ‍্যা দিতে গিয়ে জামাইয়ের হাতে খুন শ্বশুর, পলাতক অভিযুক্ত

এ বিষয়ে হিলি থানার আইসি শীর্ষেন্দু দাস জানান, অভিযুক্ত নেপাল মহন্ত হিলির উজাল গ্রামের বাসিন্দা হলেও গত এক বছর ধরে বৈকুণ্ঠপুরে শ্বশুরবাড়িতেই থাকত। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, হিলি
  • শেষ আপডেট: ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:৫২

মেয়ের বাড়িতে সন্ধ্যা দিতেই গিয়ে জামাইয়ের হাতে খুন হলেন শ্বশুর। মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি থানার বৈকুণ্ঠপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত জামাই পলাতক। অভিযুক্তের নামে খুনের মামলা দায়ের হয়েছে। বুধবার দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।

জানা গিয়েছে, মৃতের নাম নরেশ সরকার। তিনি হিলির বৈকুণ্ঠপুর গ্রামের বাসিন্দা। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁর মেয়ের বাড়িতে সন্ধ্যাবাতি দিতে গিয়েছিলেন তিনি। তাঁর মেয়ে শেফালি কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। প্রায় এক বছর আগে অভিযুক্ত নেপাল মহন্তের সঙ্গে নরেশ সরকারের মেয়ে শেফালির দ্বিতীয় বিয়ে হয়েছিল। অভিযোগ, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যখন নরেশবাবু প্রদীপ জ্বালাচ্ছিলেন, তখন আচমকাই তাঁর ওপর চড়াও হয় জামাই নেপাল মহন্ত (৩২)। হাতে থাকা বাঁশ দিয়ে শ্বশুরের মাথায় সজোরে আঘাত করে সে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন নরেশবাবু।

এর পরে চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। সেই সুযোগে এলাকা থেকে পালিয়ে যান নেপাল। গুরুতর জখম অবস্থায় তড়িঘড়ি নরেশ সরকারকে উদ্ধার করে প্রথমে হিলি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। বালুরঘাট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

মৃতের ছেলে অসীম সরকার দাবি করেন, শেফালির সঙ্গে নেপালের দীর্ঘদিনের বিবাদ ছিল। সেই আক্রোশ থেকেই বৃদ্ধ বাবার ওপর নেপাল প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে। তিনি বলেন, “বাবা প্রতিদিনের মতো সন্ধ্যা দিতে গিয়েছিলেন। আমরা দোষীর কঠোর শাস্তি চাই।”

এ বিষয়ে হিলি থানার এক আধিকারিক জানান, অভিযুক্ত নেপাল মহন্ত হিলির উজাল গ্রামের বাসিন্দা হলেও গত এক বছর ধরে বৈকুণ্ঠপুরে শ্বশুরবাড়িতেই থাকত। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।


Share