TMC Leader Arrest

আট বছর পর আত্মসমর্পণ! খুনের মামলায় তৃণমূল নেতা জিয়ারুল হকের জামিন খারিজ, ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ

স্থানীয় বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএমের অভিযোগ, তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমানের ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতেন জিয়ারুল। এমনকি তাঁর আচরণ নিয়ে তৃণমূলের অন্দরেও অসন্তোষ ছিল বলেও বিরোধীদের দাবি।

খুনের মামলায় আত্মসমর্পণ করলেন চোপড়ার তৃণমূল নেতা জিয়ারুল হক।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬ ১০:০১

২০১৮ সালের একটি খুনের মামলায় অবশেষে ইসলামপুর মহকুমা আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন চোপড়ার তৃণমূল নেতা জিয়ারুল হক। সোমবার আদালতে আত্মসমর্পণের পর তিনি জামিনের আবেদন করেন। তবে বিচারক সেই আবেদন খারিজ করে তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

জিয়ারুল হক চোপড়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে কাটমানি আদায়, বাগান দখল এবং রাজনৈতিক বিরোধীদের হুমকি দেওয়ার মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় বিজেপি, কংগ্রেস ও সিপিএমের অভিযোগ, তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমানের ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতেন জিয়ারুল। এমনকি তাঁর আচরণ নিয়ে তৃণমূলের অন্দরেও অসন্তোষ ছিল বলেও বিরোধীদের দাবি।

অন্য দিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান। তাঁর দাবি, লক্ষ্মীপুরের ওই খুনের মামলায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জিয়ারুল হককে ফাঁসানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অন্যান্য অভিযোগও ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন বিধায়ক।


Share