Murder Case

বসিরহাটে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও স্ত্রীকে খুন, অভিযুক্তকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল নিম্ন আদালত

উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটে নাবালিকাকে ধর্ষণ এবং স্ত্রীকে খুনের মামলায় জামশেদ আলি মণ্ডলকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা দিল আদালত। শুক্রবার বসিরহাট মহকুমা আদালত তাকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানাও করেছে। ২০১৮ সালের ঘটনায় দীর্ঘ আট বছর বিচারপ্রক্রিয়া চলার পর দুই মামলাতেই দোষী সাব্যস্ত হয় জামশেদ।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, বসিরহাট
  • শেষ আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০২৬ ১২:২১

উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটে নাবালিকাকে ধর্ষণ এবং স্ত্রীকে খুনের মামলায় এক ব্যক্তিকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা দিল আদালত। শুক্রবার বসিরহাট মহকুমা আদালত জামশেদ আলি মণ্ডল নামে ওই ব্যক্তির সাজা ঘোষণা করে। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ৫০ হাজার টাকা কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বাদুড়িয়া থানার বাগজোলা এলাকার বাসিন্দা জামশেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০১৮ সালে নিজের শ্যালিকার নাবালিকা মেয়েকে খুনের ভয় দেখিয়ে প্রায় এক মাস ধরে সে লাগাতার ধর্ষণ করেছিল। বিষয়টি জামশেদের স্ত্রী জানতে পেরে যান। তা নিয়ে ২০১৮ সালের ৭ এপ্রিল দম্পতির মধ্যে অশান্তি হয়। অভিযোগ, ওই দিনই জামশেদ স্ত্রীকে খুন করেন।

ঘটনার তিন দিন পর, ১০ এপ্রিল বাদুড়িয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্তে জামশেদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তার বিরুদ্ধে পৃথক দু’টি মামলা রুজু হয়। একটি মামলায় নাবালিকাকে হত্যার হুমকি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। অন্য মামলাটি স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে করা হয়েছিল।

দীর্ঘ আট বছর ধরে দু’টি মামলারই বিচারপ্রক্রিয়া চলেছে। ২০২৫ সালের ৩১ জানুয়ারি স্ত্রীকে খুনের মামলায় জামশেদকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। অন্যদিকে, নাবালিকাকে ধর্ষণের মামলায় চলতে থাকে বিচারপর্ব। গত ১২ এপ্রিল সেই মামলাতেও অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

শুক্রবার দুই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জামশেদকে আমৃত্যু কারাবাসের সাজা শোনান বসিরহাট মহকুমা আদালতের বিচারক। সরকারি আইনজীবী গোলাম মোস্তাফার বক্তব্য অনুযায়ী, দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ওঠা দু’টি অভিযোগেই আদালতে দোষ প্রমাণিত হয়েছে।

এদিকে, এই ঘটনার অন্যতম নির্যাতিতা নাবালিকার বাবা-মা ইতিমধ্যেই মারা গিয়েছেন। পরিবারের অন্য সদস্যদের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি।


Share