HPCL

রান্নার গ‍্যাস নিয়ে আর দুশ্চিন্তা নয়, শিলিগুড়ি শহরে বসছে পাইপলাইন, কাজ চলছে পুরোদমে

এইচপিসিএল সূত্রের দাবি, প্রচলিত এলপিজি সিলিন্ডারের তুলনায় পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাস (মিথেন) অনেক বেশি নিরাপদ। এলপিজি-তে থাকা বিউটেন ও প্রোপেন বাতাসের চেয়ে ভারী হওয়ায় লিক হলে জমে গিয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, জলপাইগুড়ি
  • শেষ আপডেট: ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৫:১২

রান্নার গ্যাস নিয়ে দুশ্চিন্তা কমাতে জলপাইগুড়ি শহর ও শহরতলিতে জোরকদমে চলছে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সংযোগ দেওয়ার কাজ। হিন্দুস্থান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড ইতিমধ্যেই শহর লাগোয়া পাহাড়পুর, পাতকাটা ও মোহিতনগর এলাকার প্রায় পাঁচ হাজার ১০০টি বাড়িতে এই পরিষেবা পৌঁছে দিয়েছে। সংস্থার লক্ষ্য, আগামী এপ্রিলের মধ্যে শহর ও পঞ্চায়েত এলাকা মিলিয়ে মোট ৩০ হাজার সংযোগ প্রদান।

এইচপিসিএল সূত্রের দাবি, প্রচলিত এলপিজি সিলিন্ডারের তুলনায় পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাস (মিথেন) অনেক বেশি নিরাপদ। এলপিজি-তে থাকা বিউটেন ও প্রোপেন বাতাসের চেয়ে ভারী হওয়ায় লিক হলে জমে গিয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। বিপরীতে, ন্যাচারাল গ্যাস হালকা হওয়ায় লিক করলে দ্রুত বাতাসে মিশে যায়, ফলে ঝুঁকি তুলনামূলক কম।

ইতিমধ্যে যাঁরা এই পরিষেবা নিয়েছেন, তাঁদের অনেকেই স্বস্তির কথা জানিয়েছেন। সিলিন্ডার বুকিং বা হঠাৎ গ্যাস ফুরিয়ে যাওয়ার ঝামেলা না থাকায় খুশি বহু গৃহস্থ পরিবার। যদিও খরচের দিক থেকে এখনও মিশ্র প্রতিক্রিয়া মিলছে। অনেকের মতে, অন্তত এক মাস ব্যবহার করার পরই সিলিন্ডারের সঙ্গে খরচের প্রকৃত তুলনা বোঝা যাবে। তবু সব মিলিয়ে, আধুনিক এই গ্যাস পরিষেবা জলপাইগুড়ির দৈনন্দিন জীবনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনছে।


Share