Hanging Body Recovered

সম্পর্কের টানাপোড়েনে ভয়াবহ সিদ্ধান্ত, জলপাইগুড়িতে প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে আত্মহত্যা গৃহবধূর

সোমবার সকালে খাগড়াবাড়ি এলাকার একটি চা বাগান থেকে গৃহবধূ প্রতিমা রায় ও যুবক প্রভাত অধিকারীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরেই দু’জন আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে প্রাথমিক অনুমান।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, জলপাইগুড়ি
  • শেষ আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:১৮

সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরে ভয়াবহ পরিণতি। স্বামী ছাড়তে চাননি। প্রেমিকও ছাড়তে রাজি ছিলেন না। দু’দিকের চাপে প্রেমিককে সঙ্গে নিয়েই গৃহবধূ আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন। সোমবার সকালে জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির খাগড়াবাড়ি এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে।

স্থানীয়রা একটি চা বাগানে দু’জনের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান। ময়নাগুড়ি থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। মৃতদের নাম প্রতিমা রায় ও প্রভাত অধিকারী। দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিমা রায় বিবাহিতা ছিলেন। কয়েক মাস আগে প্রভাত অধিকারীর সঙ্গে তাঁর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক তৈরি হয়। ভালোবাসার টানে মাস খানেক আগে প্রতিমা বাড়ি ছাড়েন। প্রভাতের সঙ্গেই তিনি থাকতে শুরু করেন। এরপর দু’জনের আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। রবিবার রাতে তাঁরা এলাকায় ফিরে আসেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু বাড়ি ফেরেননি কেউই। বাড়ির পাশের একটি চা বাগানে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন দু’জন।

মৃত যুবকের দাদা প্রমোদ অধিকারী বলেন, ”বেশ কিছুমাস আগে ভাই প্রতিমাদেবীকে নিয়ে একটা জায়গায় ছিল। এরপর তিনি বাড়ি ফিরে গেছিলেন। কিন্তু ফের দু’জনে বাড়ি ছেড়েছিল।” প্রমোদবাবুর কথায়, ”রবিবার বাড়ি ফিরবে বলে ফোন করেছিল। আসতেও বলা হয়েছিল।” কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর বাড়ি ফেরা হয়নি। চা বাগানে মিলেছে দু’জনের নিথর দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্য।


Share