Murder Case

জলপাইগুড়িতে বৃদ্ধা খুনে গ্রেফতার মেজ জামাই, এখনও পাওয়া যায়নি বৃদ্ধার মুণ্ড এবং খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র

প্রাথমিক জেরায় অভিযুক্ত খুনের কথা স্বীকার করেছে বলে জানা গিয়েছে, যদিও এখনও খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র ও নিখোঁজ দেহাংশ উদ্ধার হয়নি। সম্পত্তি বিবাদ নাকি কুসংস্কার—কী কারণে এই নৃশংস খুন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, জলপাইগুড়ি
  • শেষ আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৯:০০

গত শনিবার জলপাইগুড়িতে এক বৃদ্ধাকে খুনের ঘটনা ঘটেছিল। আর সেই ঘটনাতেই পুলিশ সাফল্য পেল। এই মামলায় নিহতের মেজ জামাই আলামিন হককে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্ত দীর্ঘদিন ধরেই শ্বশুরবাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে থাকত। ঘটনার সূত্র ধরে তাঁর স্ত্রী হাসিনা বিবিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক জেরায় আলামিন হক খুনের কথা স্বীকার করেছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) শৌভনিক মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ধৃতের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে। তার ভিত্তিতেই খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র এবং বৃদ্ধার নিখোঁজ মুণ্ডের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত সেগুলি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তবে এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদ নাকি কুসংস্কারের বিষয় জড়িয়ে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত শনিবার জলপাইগুড়ির বাহাদুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চেকরচণ্ডী কামাত এলাকায় এক ৭৩ বছরের বৃদ্ধা, সামিজা খাতুনের গলা কাটা দেহ উদ্ধার হয় তাঁর বাড়ির পিছন দিক থেকে। ঘটনাটি সামনে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

এরপরই শুরু হয় ব্যাপক তল্লাশি অভিযান। নিখোঁজ মুণ্ডের খোঁজে পুলিশ কুকুর নামানো হয়, আকাশপথে নজরদারির জন্য ব্যবহার করা হয় ড্রোন। পাশাপাশি, আশপাশের পুকুরগুলোতেও সিভিল ডিফেন্স কর্মীদের নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, তদন্ত এখনও চলছে। খুব শীঘ্রই এই ঘটনার পূর্ণ রহস্য উদঘাটন সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


Share