Food Safety

সাউথ সিটি থেকে অ্যাক্রোপলিস, বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট থেকে সল্টলেক- খাবারে ‘নজর’, শহরজুড়ে পুরসভার অভিযান

মজুত খাবারের গুণমান ঠিক রয়েছে কি না, সেগুলি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি না, তা পরীক্ষা করা হয়। বিশেষ নজর দেওয়া হয় ফ্রোজেন খাবার সংরক্ষণের পদ্ধতির উপরও।

কলকাতায় খাদ্য দফতরের অভিযান।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৮:৫০

খাদ্যসুরক্ষা বিধি মেনে চলা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধারাবাহিক অভিযান চলছে। রবিবারও কলকাতা পুরসভার আধিকারিকেরা শহরের একাধিক রেস্তরাঁ ও নামী শপিং মলের ফুড কোর্টে অভিযান চালান।

রবিবার দুপুরে সাউথ সিটি মল, হাইল্যান্ড পার্ক এবং অ্যাক্রোপলিস মলের ফুড কোর্টে অভিযান চালানো হয়। পুর আধিকারিকেরা হেঁশেলে ঢুকে খাবার তৈরির ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন। মজুত খাবারের গুণমান ঠিক রয়েছে কি না, সেগুলি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সংরক্ষণ করা হচ্ছে কি না, তা পরীক্ষা করা হয়। বিশেষ নজর দেওয়া হয় ফ্রোজেন খাবার সংরক্ষণের পদ্ধতির উপরও।

এর পাশাপাশি পুরসভার খাদ্যসুরক্ষা বিভাগের আধিকারিকেরা বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট চত্বরের একাধিক রেস্তরাঁয় অভিযান চালান। আলিয়া হোটেলে খাবারের গুণমান পরীক্ষা করার পাশাপাশি ফ্রিজে মজুত কয়েকটি খাবারের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আহার, অ্যাম্বর, আমি বাঙালি-সহ আরও কয়েকটি রেস্তরাঁয়ও চলে তল্লাশি। অভিযানের সময় আমি বাঙালির ফ্রিজে মজুত থাকা বেশ কিছু খাবার খাওয়ার অনুপযুক্ত হওয়ায় ফেলে দেওয়া হয়।

কলকাতার পাশাপাশি রবিবার পুর আধিকারিকেরা সল্টলেকের একাধিক রেস্তরাঁতেও অভিযান চালানো হয়। রান্নাঘরে ব্যবহৃত কাঁচামাল, মশলা-সহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীর গুণমান পরীক্ষা করেন।

শনিবারও কলকাতা পুরসভার খাদ্যসুরক্ষা বিভাগের আধিকারিকেরা কলকাতার ডেকার্স লেন, জোড়াবাগান ও লেক মার্কেট এলাকায় অভিযান চালান। ডেকার্স লেনের একাধিক দোকানে খাবারের গুণমান পরীক্ষা করা হয়। একটি দোকানের গুদাম থেকে আধিকারীকেরা বিপুল পরিমাণ মাখা সন্দেশ উদ্ধার করেন। মিষ্টির উপর ছাতা পড়ে থাকতে দেখা যায়। এরপর স্বাস্থ্যসম্মত ভাবে সংরক্ষণ না করা সেই মিষ্টি ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাঁরা ডেকার্স লেনের চপ ও কাটলেটের নমুনাও সংগ্রহ করেন।

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্যজুড়ে খাদ্যসুরক্ষা দফতরের এই অভিযান চলছে। সোমবার থেকে পশ্চিমবঙ্গে শুরু হয়েছে ‘ক্রেতা সুরক্ষা সপ্তাহ’। হগ মার্কেট (নিউ মার্কেট) চত্বরে কর্মসূচির সূচনা করে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভেজাল বা অনিরাপদ খাদ্য, সব্জি-মাছে ক্ষতিকর রঙের ব্যবহার, মাপে কারচুপি কিংবা ফ্ল্যাট জালিয়াতির মতো অসাধু কারবারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েই চলবে রাজ্য সরকার।


Share