Fire Incident

ছুটির দুপুরে চিৎপুরে বন্ধ রাসায়নিক কারখানায় বিধ্বংসী আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ১০ টি ইঞ্জিন

প্রায় ঘণ্টাখানেকের মধ্যে ১০টি ইঞ্জিন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। অগ্নিকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

চিৎপুরে বন্ধ রাসায়নিক কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড।
নিজস্ব সংবাদদাতা, চিৎপুর
  • শেষ আপডেট: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:১৩

ছুটির দিন দুপুরে খাস কলকাতায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড। চিৎপুরের একটি বন্ধ রাসায়নিক কারখানায় আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের এলাকায়। আগুনের গ্রাসে চলে যায় আরও বেশ কয়েকটি কারখানা।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন পৌঁছোয়। আগুনের ভয়াবহতা বাড়তে থাকায় দ্রুত ইঞ্জিনের সংখ্যা বাড়ানো হয়। প্রায় ঘণ্টাখানেকের মধ্যে ১০টি ইঞ্জিন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। অগ্নিকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ঘিঞ্জি এলাকায় পর পর কারখানা থাকায় আগুন আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কীভাবে এত বড় আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে দমকল বিভাগের তরফেও এখনও নির্দিষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। তবে প্রাথমিক ভাবে অনুমান, দীর্ঘদিন ধরে কারখানাটি বন্ধ থাকায় বৈদ্যুতিক গোলযোগ বা শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

চিৎপুরের নবাবপল্লি এলাকায় একাধিক কারখানার পাশাপাশি রয়েছে ঘনবসতিও। ফলে আগুনের ভয়াবহতা দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোন কাশীপুর-বেলগাছিয়ার বিধায়ক রীতেশ তিওয়ারি। তিনি জানান, কারখানাটি দোতলা। একতলায় ছিল রাসায়নিকের গোডাউন এবং দোতলায় জামাকাপড়ের গুদাম। কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই পুলিশ এফআইআর দায়ের করেছে। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ধোঁয়া রয়েছে। সেই ধোঁয়া থেকেই আগুনের ভয়াবহতা সম্পর্কে ধারণা করা যায়।

 


Share