Accident

জামুড়িয়ার ইস্পাত কারখানায় শ্রমিকের মৃত্যু, মৃতদেহ আটকে রেখে ক্ষতিপূরণের দাবিতে গেট অবরোধ করে বিক্ষোভ

পরে ১৭ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা ও অন্যান্য সহযোগিতার আশ্বাস মেলায় বুধবার সন্ধ্যায় বিক্ষোভ প্রত্যাহার করা হয়।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, পশ্চিম বর্ধমান
  • শেষ আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬ ০৩:০৬

পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ার একটি বেসরকারি ইস্পাত কারখানায় কর্মরত এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে বুধবার উত্তেজনা ছড়ায়। মৃত শ্রমিকের দেহ কারখানার মূল গেটের সামনে রেখে ক্ষতিপূরণ ও পরিবারের নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা সামিল হন। এর জেরে দিনের বেশ কিছু সময় কারখানার কাজও ব্যাহত হয়।

মৃত শ্রমিকের নাম সন্তোষ কাহার (৪৫)। তিনি জামুড়িয়ার জেকে নগরের বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে কারখানায় কাজ করার সময় তিনি গুরুতরভাবে দগ্ধ হন। প্রথমে তাঁকে আসানসোলের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই মঙ্গলবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর পরেও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট কোনও সিদ্ধান্ত নিচ্ছিল না। সেই কারণেই বুধবার সকাল থেকে মৃতদেহ গেটের সামনে রেখে বিক্ষোভ শুরু হয়। জামুড়িয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে পুলিশ ও কারখানা কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে মৃতের পরিবারের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা হয়।

বৈঠক শেষে বিজেপির জামুড়িয়ার কনভেনর ব্রিজমোহন পাসওয়ান জানান, আলোচনার ভিত্তিতে কারখানা কর্তৃপক্ষ মৃতের পরিবারকে ১৬ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ, শেষকৃত্যের জন্য অতিরিক্ত এক লক্ষ টাকা এবং সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। এই প্রতিশ্রুতির পর আন্দোলনকারীরা বুধবার সন্ধ্যায় বিক্ষোভ প্রত্যাহার করেন। গেটের সামনে থেকে মৃতদেহ সরিয়ে নেওয়া হয়।


Share