By-Election

নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে গণনার শুরুতেই বিজেপির ঝড়! হাজার হাজার ভোটে এগিয়ে হাসিরানি ও শাখারভ, পালাবদলের পর প্রথম উপনির্বাচনে বড় বার্তার ইঙ্গিত?

নির্বাচন কমিশনের সকাল ৯টার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নন্দীগ্রামে প্রায় ৯ হাজার ভোটে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। অন্য দিকে, রেজিনগরে ১০ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে লিড নিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার।

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে চলছে ভোটগণনা।
নিজস্ব সংবাদদাতা, নন্দীগ্রাম
  • শেষ আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৩০

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর—দুই বিধানসভা কেন্দ্রেই উপনির্বাচনের গণনা শুরু হতেই প্রাথমিক ট্রেন্ডে এগিয়ে বিজেপি। শুক্রবার সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে দুই গণনাকেন্দ্রের এলাকা। নির্বাচন কমিশনের সকাল ৯টার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নন্দীগ্রামে প্রায় ৯ হাজার ভোটে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। অন্য দিকে, রেজিনগরে ১০ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে লিড নিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রেজিনগর উপনির্বাচনে শাখারভ সরকার ১১ হাজার ৬১৪ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। কংগ্রেস প্রার্থী আব্দুল্লাহিল কাফি পেয়েছেন ৫৮১টি ভোট। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থীর ঝুলিতে গিয়েছে ৪৪৬টি ভোট। নন্দীগ্রামেও বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের দাপট দেখা যাচ্ছে। সেখানে তিনি ৯ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান।

রাজ্যে পালাবদলের পর এই প্রথম উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক মহলে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে। চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম—দুই কেন্দ্র থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শেষ পর্যন্ত ভবানীপুরের জয়ী প্রার্থী হিসেবে শপথ নেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। সেই কারণেই এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে।

অন্য দিকে, রেজিনগর ও নওদা—দুই কেন্দ্রেই জয়ী হয়েছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। পরে তিনি নওদার বিধায়ক হিসেবে শপথ নেন। ফলে রেজিনগর আসনটি খালি হয়ে যায় এবং সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে গণনাকেন্দ্রে হুমায়ুনের দলের কোনও এজেন্টকে দেখা যায়নি। তৃণমূলের এজেন্টদেরও উপস্থিতি চোখে পড়েনি।

প্রথম রাউন্ডে এগিয়ে থেকেই জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার। তাঁর বক্তব্য, ব্যবধান এমন হওয়া উচিত, যা নন্দরানি ডলের জয়ের ব্যবধানকেও মনে করিয়ে দেবে। উল্লেখ্য, ২০০১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএম প্রার্থী নন্দরানি ডল বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল কংগ্রেসের রজনীকান্ত দোলুই পেয়েছিলেন মাত্র ১২ হাজার ৪৫৪টি ভোট।

তবে প্রাথমিক ট্রেন্ডে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য গণনা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।


Share