Laxmi Bhandar

লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা অন্যের অ্যাকাউন্টে! থানায় লিখিত অভিযোগ মহিলার

বিষয়টি নিয়ে একাধিক বার কাউন্সিলরের কাছে গেলেও কোন সুরাহা মেলেনি। অভিযোগ বিষয়টি চেপে যেতে তাঁকে পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল।

শ্রীরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা, হুগলি
  • শেষ আপডেট: ২৯ মে ২০২৬ ০৮:৪২

প্রাক্তন সরকারের এক জনপ্রিয় প্রকল্প ছিল 'লক্ষ্মীর ভান্ডার'। কিন্তু সরকারি প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর টাকা নাকি অন্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে! এমনই অভিযোগ তুলে এক মহিলা থানার দ্বারস্থ হলেন। ঘটনাটি হুগলির রিষড়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের ঘটনা। অভিযোগ ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

অভিযোগকারী হলেন উর্মিলা দেবী। তাঁর দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা তিনি পাননি। পরে ব্যাঙ্ককে গিয়ে তিনি খোঁজ নেন। জানতে পারেন, তাঁর প্রাপ্য টাকা জমা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন কোথায় জমা হচ্ছে? জানা গিয়েছে, সেই টাকা বিজয় সাউ নামে এক ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হচ্ছে । অভিযোগ, ওই ব্যক্তি স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরের আত্মীয়।

উর্মিলা দেবীর আরও অভিযোগ, লক্ষ্মীর ভান্ডারের আবেদনপত্রে তাঁর নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের পরিবর্তে অন্য ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট নম্বর যুক্ত করা হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিক বার কাউন্সিলরের কাছে তিনি গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর দাবি, তাতে কোনও সুরাহা মেলেনি। এমনকি তিনি অভিযোগ করেন, বিষয়টি চেপে যেতে তাঁকে পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল।

মহিলার বক্তব্য, প্রকল্প চালুর শুরু থেকেই তাঁর নাম নথিভুক্ত ছিল। প্রথমে ৫০০ টাকা। পরে ভাতা বেড়ে ১০০০ টাকা হয়। কিন্তু তিনি কোনও টাকাই হাতে পাননি। ২০২৪ সালে একবার পাঁচ হাজার টাকা দেওয়ার পর আর কোনও সাহায্য মেলেনি বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

ঘটনার জেরে ক্ষুব্ধ উর্মিলা দেবী বৃহস্পতিবার শ্রীরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুরো ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।


Share