Threatening

বিজেপির নাম ভাঙিয়ে ব্যবসায়ীকে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, ডানকুনি থানায় লিখিত অভিযোগ

জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিবাদের জেরে ব্যবসায়ী সপ্তর্ষি কাঞ্জিলাল ডানকুনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। যদিও অভিযুক্ত কৃষ্ণেন্দু মিত্র সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

(বাঁদিক থেকে) কৃষ্ণেন্দু মিত্র এবং সপ্তর্ষি কাঞ্জিলাল।
নিজস্ব সংবাদদাতা, ডানকুনি
  • শেষ আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬ ০৮:৪৯

হুগলির ডানকুনি পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে এক ব্যবসায়ীকে ফোনে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, বিজেপির নাম ভাঙিয়ে এক ব্যক্তি ব্যবসায়ীকে গালিগালাজ করেন। জমি না ছাড়লে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। ঘটনায় ওই ব্যক্তি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে। ডানকুনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ব্যবসায়ী সপ্তর্ষি কাঞ্জিলাল। অভিযুক্ত কৃষ্ণেন্দু মিত্র। তিনি অবশ্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটির নেপথ্যে রয়েছে দীর্ঘদিনের একটি জমি সংক্রান্ত বিবাদ। ২০০৯ সাল থেকে ওই জমিকে কেন্দ্র করে আদালতে মামলা চলছে। অভিযোগকারী সপ্তর্ষি কাঞ্জিলালের দাবি, সংশ্লিষ্ট জমিটি আইনিভাবে তাঁর দখলে রয়েছে। তবে সম্প্রতি কৃষ্ণেন্দু মিত্র ওই জমির মালিকানা দাবি করতে শুরু করেন। যার জেরেই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র হয়েছে।

অভিযোগ, গত কয়েকদিন ধরে কৃষ্ণেন্দু মিত্র ফোন করে লাগাতার হুমকি দিতে থাকেন। সপ্তর্ষিবাবুর দাবি, অভিযুক্ত নিজেকে বিজেপির প্রভাবশালী ব্যক্তি বলে পরিচয় দেন। তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজও করেন।

ব্যবসায়ী সপ্তর্ষি কাঞ্জিলাল বলেন, “২০০৯ সাল থেকে এই জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। হঠাৎ কৃষ্ণেন্দু মিত্র, যিনি ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর, ফোন করে নিজেকে বিজেপির লোক বলে পরিচয় দেন। আমাকে ও আমার পরিবারকে শেষ করে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। আমরা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। প্রশাসনের কাছে আমাদের নিরাপত্তা এবং দোষীর উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

অন্য দিকে, সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কৃষ্ণেন্দু মিত্র। তাঁর দাবি, তিনি ২০১৮ সালে সংশ্লিষ্ট জমিটি বৈধভাবে কিনেছেন। প্রয়োজনীয় দলিলপত্র তাঁর কাছে রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, জমির মালিকানা নিয়ে আদালতেই আইনি লড়াই হবে। অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।

ইতিমধ্যেই অভিযোগের ভিত্তিতে ডানকুনি থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের পাশাপাশি ফোনে হুমকির অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।


Share