Fake Lawyer Arrested

বিচারপতির সই জাল করে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগ, পুলিশের জালে গ্রেফতার এক

পুলিশের দাবি, অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তি সমস্ত দোষ স্বীকার করেছেন। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ একাধিক সরকারি নথিপত্র এবং বেশ কিছু জাল আদালতের রায়ের কাগজ বাজেয়াপ্ত করেছে।

গ্রেফতার ভুয়ো আইনজীবী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কল্যাণী
  • শেষ আপডেট: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৫৩

আইনজীবী সেজে প্রতারণার অভিযোগ উঠল নদিয়ায়। সেখানে বিচারপতির সই জাল করে এক ব্যক্তি কাছ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা প্রতারণা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ধৃত ব্যক্তির নাম সৌমিক দাস। চাকদহে ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, অসীম পাল নামে এক ব্যক্তি প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি চাকদহ-১ নম্বর রামকৃষ্ণ কলোনির বাসিন্দা। চাকদহ থানায় দায়ের করা অসীম পালের অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনায় খোরপোষের একটি মামলা চলছিল। সেই মামলা থেকে তিনি মুক্তি পেতে চেয়েছিলেন। মামলাটি থেকে নিষ্পত্তি পেতে সৌমিক দাসের দ্বারস্থ হন। অভিযোগ, এর জন‍্য আদালতের রায়ের প্রতিলিপি জাল করে তার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এর বিনিময়ে ২৫ লক্ষ টাকা তাঁর কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় অভিযুক্ত সৌমিক।

অসীমবাবুর আরও অভিযোগ, তাঁর পরামর্শ না শুনলে পরিবারকে জেল খাটাবে বলেও হুমকি দেয় ধৃত সৌমিক। শুধু তাই নয়, এর পরে কোনও একদিন দুর্ঘটনা হয়েছে বলে অসীম পালকে জানায়। অসীম পালের দাবি, তা সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা’ ছিল। এই বলেও ফের টাকা চাওয়া হয়। তখনই তাঁর সন্দেহ হয়। তিনি অভিযুক্তের এলাকায় যান। সেখানে গিয়ে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারেন, অভিযুক্ত সৌমিক দাস কোনও ভাবেই বৈধ আইনজীবী নয়।

এর পরেই চাকদহ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে অসীমবাবু। অভিযোগের ভিত্তিতে চাকদহ থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে। অভিযুক্তের বাড়ি হাওড়ার সাঁকরাইলে। সেখান থেকেই পুলিশ সৌমিক দাসকে গ্রেফতার করেছে। তাকে কল্যাণী আদালতের পেশ করা হয়। বিচারক অভিযুক্তকে সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

পুলিশের দাবি, অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তি সমস্ত দোষ স্বীকার করেছেন। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ একাধিক সরকারি নথিপত্র এবং বেশ কিছু জাল আদালতের রায়ের কাগজ বাজেয়াপ্ত করেছে।


Share