Special Intensive Revision

বেআইনি ভাবে ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্ত করানোর অভিযোগ, চার সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সময় বেঁধে দিল নির্বাচন কমিশন

রাজ‍্যের মুখ‍্যসচিবকে ডেকে পাঠানোর পরের দিন শনিবার ফের নির্বাচন কমিশন চার সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ নবান্নকে দিয়েছে। এর আগে ‘রিমাইন্ডার’ দেওয়া হলেও এ বার পদক্ষেপ নেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দিল নির্বাচন কমিশন।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৩৪

রাজ্যের চার সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে ফের নবান্নকে চিঠি দিল নির্বাচন কমিশন। এ বার সময় বেঁধে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন কমিশন।

বারুইপুর পূর্ব এবং ময়না বিধানসভা দুই ইআরও এবং দুই এইআরও-র বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিল নির্বাচন সদন। আগামী মঙ্গলবারের মধ্যেই এই চার সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করতে হবে। গতকালই রাজ‍্যের মুখ‍্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে নির্বাচন সদনে তলব করা হয়েছিল। দুপুর ৩টে থেকে বৈঠক হয়। বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন মুখ‍্যসচিব নন্দিনী। সূত্রের খবর, চার সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বারবার নির্দেশ দেওয়া হলেও কোনও পদক্ষেপ করেনি রাজ্য। তা নিয়েই জরুরি ভিত্তিতে তাঁকে তলব করা হয়েছিল।

ভোটার তালিকায় বেআইনি ভাবে নাম নথিভুক্ত করার অভিযোগে ওঠে দুই বিধানসভার কেন্দ্রের ইআরও এবং এইআরও-দের বিরুদ্ধে। ওই চার আধিকারিক হলেন তথাগত মণ্ডল, দেবোত্তম দত্তচৌধুরী, বিপ্লব সরকার এবং সুদীপ্ত দাস। তাঁদের সাসপেন্ড (নিলম্বিত) করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সুরজিৎ হালদার নামে ডেটা এন্ট্রির কাজে যুক্ত কর্মীর বিরুদ্ধেও এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। অভিযোগ, তাঁরা বেআইনি ভাবে নিজেদের লগইন আইডি শেয়ার করেছেন। যাতে কমিশনের তথ‍্য নিরাপত্তাকে বিপদে ফেলেছে। এই চার সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড করে এফআইআর করতে বলেছিল কমিশন। রাজ‍্যে এই চার আধিকারিককে সাসপেন্ড করলেও এফআইআর করেনি।

রাজ‍্যের মুখ‍্যসচিবকে ডেকে পাঠানোর পরের দিন শনিবার ফের নির্বাচন কমিশন চার সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ নবান্নকে দিয়েছে। এর আগে ‘রিমাইন্ডার’ দেওয়া হলেও এ বার পদক্ষেপ নেওয়ার সময়সীমা বেঁধে দিল নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কমিশনের নির্দেশ কার্যকর করতে বলা হয়েছে।


Share