Fire Incident

পানিহাটিতে সিইএসসি ভবনে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে তৎপর দমকল কর্মীরা, পুড়ল একাধিক ঝুপড়ি ও অটো

পানিহাটির ধানকল মোড়ে সিইএসসি ভবনে ভয়াবহ আগুন। আগুন নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের ন’টি ইঞ্জিন, যানজট সামাল দিতে মোতায়েন পুলিশ। এখনও হতাহতের কোন খবর নেই।

সিইএসসি-র একটি ভবনে ভয়াবহ আগুন
নিজস্ব সংবাদদাতা, পানিহাটি
  • শেষ আপডেট: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৩:১৪

রবিবার দুপুরে আচমকা আগুনের আতঙ্ক ছড়াল পানিহাটির ধানকল মোড় এলাকায়। সিইএসসি-র একটি ভবনে হঠাৎ আগুন লাগে। পরে দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের দাবি, আগুন ছড়িয়ে পড়ায় পাশের কয়েকটি ঝুপড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভবনের সামনে থাকা একটি অটোও আগুনে পুড়ে যায়। আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে দমকল বাহিনী পৌঁছোয়।

প্রথম আগুন স্থানীয়দের নজরে আসে। তাঁরাই আগুন নেভাতে তৎপর হন। তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দমকলকে খবর দেওয়া হয়। দমকলকর্মীরা আপাতত ভবনের বাইরে থেকেই আগুনের উৎসস্থল লক্ষ্য করে জল দিচ্ছেন। আগুনের তীব্রতা কমলে ভিতরে ঢুকে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের।

শুরুতে চারটি ইঞ্জিন আগুন নেভানোর কাজে নামে। পরিস্থিতি দেখে পরে আরও পাঁচটি ইঞ্জিন পাঠানো হয়। অর্থাৎ, মোট ন’টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুনের তীব্রতা যথেষ্ট বেশি। পরিস্থিতি অনুযায়ী আরও ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আনা হতে পারে।

অগ্নিকাণ্ডের জেরে ধানকল মোড় সংলগ্ন রাস্তাতেও যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। এলাকায় যানজট তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে খড়দহ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

কী ভাবে সিইএসসি ভবনে আগুন লাগল, তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে দমকলের প্রাথমিক অনুমান, ভবনের একটি ট্রান্সফরমারে বিস্ফোরণ হয়ে থাকতে পারে। সেই বিস্ফোরণ থেকেই আগুনের সূত্রপাত বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানতে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পর তদন্ত করা হবে। দমকল আধিকারিকদের বক্তব্য, এই মুহূর্তে তাঁদের প্রধান লক্ষ্য আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা।

ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন বিজেপির উত্তর কলকাতা শহরতলির সাংগঠনিক জেলার সভাপতি চণ্ডীচরণ রায়। তিনি বলেন, ‘‘আরও দমকলের ইঞ্জিন আসছে। কয়েকটা ঝুপড়ি পুড়ে গিয়েছে। আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন দমকলকর্মীরা।’’ 

এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর নেই। আগুন সম্পূর্ণ নিভে যাওয়ার পরই ভবন এবং আশপাশের এলাকার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ স্পষ্ট হবে।


Share