Suvendu Adhikari

চাকরি থেকে অবসরের পরেও কাজে বহাল, সমস্ত সংস্থায় এমন কর্মীদের নিয়োগ বাতিল করার নির্দেশ জারি করল রাজ্য সরকার

বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ দিয়েছেন, কোনও ‘অনুপ্রেরণা’র প্রয়োজন নেই। সরকারকে সরকারের মতো করেই চালাতে হবে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেদের মতামত সরাসরি জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১১ মে ২০২৬ ০৫:৫১

তৃণমূল জমানায় রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন সংস্থাগুলিতে দলীয় নেতা বা কর্মীদের বসানোর অভিযোগ উঠেছে। এ বার তা নিয়ে পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। সোমবার নির্দেশ জারি করে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

মেয়াদ শেষের পরে অথবা অবসরের পরেও নিয়োগ করা হয়েছিল যে আধিকারিকদের, তাঁদের কাজ থেকে পাকাপাকি ভাবে ছুটি দেওয়া হল। সোমবার এ সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছে নবান্ন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন বোর্ড, সংস্থা, অ-সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি উদ্যোগে নিযুক্ত মনোনীত সদস্য, ডিরেক্টর ও চেয়ারপার্সনদের কাজের মেয়াদ অবিলম্বে শেষ করার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। পাশাপাশি, অবসর নেওয়ার পরেও ৬০ বছর পেরিয়েও পুনর্নিয়োগ পেয়েছেন বা চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে, এমন কর্মরত আধিকারিকদের পরিষেবাও দ্রুত বাতিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র এবং পার্বত্য বিষয়ক দফতরের সমন্বয় বিভাগ অতিরিক্ত মুখ্যসচিব, প্রধান সচিব এবং সচিবদেরকে নির্দেশ দিয়েছে। 

সোমবারই নবান্নে প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা, স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ ও সব দফতরের সচিব, প্রিন্সিপাল সচিবদের নিয়ে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। 

বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ দিয়েছেন, কোনও ‘অনুপ্রেরণা’র প্রয়োজন নেই। সরকারকে সরকারের মতো করেই চালাতে হবে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজেদের মতামত সরাসরি জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন। এ বার সরকার হবে ‘ফর দ্য পিপল, বাই দ‍্য পিপল, অফ দ‍্য পিপল।’ কাজে কোনও রকমের অসুবিধা বা বাধা আসে তা-ও সরাসরি জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।


Share