Molestation

খাস কলকাতায় ফের নাবালিকা নির্যাতন, কাঠগড়ায় নিজের মামা! টালা থানায় দায়ের ‘জিরো এফআইআর, গ্রেফতার অভিযুক্ত

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ডাক্তারি পরীক্ষায় শিশুটির শরীরে যৌন নির্যাতনের সম্ভাব্য চিহ্ন দেখতে পান চিকিৎসক। সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি আরজি কর হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়িতে জানানো হয়। পরে সেখান থেকে টালা থানাকে ঘটনাটি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৬ ০৮:৫০

রাজ্যজুড়ে একের পর এক নাবালিকা যৌন নির্যাতনের ঘটনা সামনে আসছে। এ বার খাস কলকাতায় ফের নাবালিকা যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তির ছ'বছরের এক শিশুর নিজের মামার দিকেই। লেক টাউন থানা এলাকার এই ঘটনায় অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরিবারের নজরে আসে শিশুটির আচরণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন। এরপরই সামনে আসে শিউরে ওঠার মতো নির্যাতনের অভিযোগ। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের অন্তর্গত লেক টাউন থানার বাসিন্দা ওই শিশুকন্যা বৃহস্পতিবার অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর পরিবারের সদস্যরা তাকে চিকিৎসার জন্য আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকের প্রাথমিক পরীক্ষার সময়ই সন্দেহজনক কিছু লক্ষণ ধরা পড়ে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ডাক্তারি পরীক্ষায় শিশুটির শরীরে যৌন নির্যাতনের সম্ভাব্য চিহ্ন দেখতে পান চিকিৎসক। সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি আরজি কর হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়িতে জানানো হয়। পরে সেখান থেকে টালা থানাকে ঘটনাটি সম্পর্কে অবহিত করা হয়।

প্রথমে টালা থানায় নাবালিকা নির্যাতনের ঘটনায় একটি জিরো এফআইআর দায়ের করা হয়। পরে ঘটনাস্থল লেক টাউন থানা এলাকার অন্তর্গত হওয়ায় মামলাটি সেখানে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে নির্যাতিতার মামাকে আটক করে পুলিশ। পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। বর্তমানে শিশুটি আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মেডিকেল পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি পরিবারের সদস্য এবং সম্ভাব্য সাক্ষীদের বয়ানও রেকর্ড করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার কলকাতার পুলিশ কমিশনার মহিলাদের ও শিশুদের উপর নির্যাতন সংক্রান্ত অভিযোগের ক্ষেত্রে জ়িরো এফআইআর গ্রহণের বিষয়ে কড়া নির্দেশ দেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, অভিযোগকারিণী বা তাঁদের পরিবারের সদস্যদের যাতে থানায় গিয়ে কোনও ধরনের হয়রানির শিকার হতে না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। কমিশনারের সেই নির্দেশের পরই টালা থানায় এই নাবালিকা নির্যাতনের ঘটনায় জিরো এফআইআর দায়ের করা হয়।


Share