Blackmail

বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে শান্তিপুরে নাবালিকার আপত্তিকর ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল, ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার দু'জন

নদিয়ার শান্তিপুর থানার ফুলিয়া এলাকায় এক ১৩ বছরের নাবালিকার আপত্তিকর ছবি তুলে তা ছড়িয়ে দেওয়া ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

দুজনকে গ্রেফতার করেছে শান্তিপুর থানার পুলিশ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, শান্তিপুর
  • শেষ আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬ ০৫:৪৮

নদিয়ার শান্তিপুর থানার ফুলিয়া এলাকায় এক ১৩ বছরের নাবালিকার আপত্তিকর ছবি তুলে তা দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল এবং সামাজিকভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ফুলিয়া এলাকার এক ১৩ বছরের নাবালিকার সঙ্গে সঞ্জিত দাসের বন্ধুত্ব ছিল। অভিযুক্তের বাড়ি পরেশনাথপুরে। অভিযোগ, সে বন্ধুত্বের সুযোগ নেয়। কৌশলে নাবালিকার আপত্তিকর ছবি তোলে। সেই ছবিগুলি নিজের মোবাইলে রেখে দেয়। পরে সেগুলি অন্যদের দেখানো হয় বলেও অভিযোগ।

অভিযোগ, পরে সঞ্জিত দাস ও তার দাদা রূপায়ণ দাস ওই ছবিগুলি এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তিকে দেখাতে শুরু করে। বিষয়টি জানতে পেরে বৃহস্পতিবার বিকেলে নাবালিকার বাবা অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে তাদের মোবাইল ফোন দেখতে চান। অভিযোগ, মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে তিনি নিজের মেয়ের আপত্তিকর ছবিগুলি দেখতে পান। এরপরই তিনি শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, নাবালিকার সরলতার সুযোগ নিয়ে অভিযুক্তরা এই কাজ করেছে। আপত্তিকর ছবি দেখিয়ে তাকে সামাজিকভাবে হেনস্থা ও ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে। ঘটনায় নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের নাম রূপায়ণ দাস ও সঞ্জিত দাস। পুলিশের দাবি, সঞ্জিত দাস নাবালক হওয়ায় তাকে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে (জুভেনাইল কোর্ট) পাঠানো হয়েছে। অপর অভিযুক্ত রূপায়ণ দাসকে রানাঘাট মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ৭৭ ও ৩(৫) ধারার পাশাপাশি পোকসো আইনের ১২ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।


Share