Duttabad Murder Case

দত্তাবাদে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে খুনের ঘটনায় বিডিও প্রশান্ত বর্মনের দুই ঘনিষ্ঠ গ্রেফতার, বিধাননগর আদালতে হাজির করাল পুলিশ

ধৃতদের নাম রাজু ঢালি এবং তুফান থাপা। জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণ দক্ষিণবঙ্গে এলে তাঁর গাড়ি চালাতেন রাজু ঢালি। অন্য দিকে, পেশায় ঠিকাদার তুফান থাপা বিডিওর বন্ধু বলে জানা যাচ্ছে।

স্বর্ণ ব‍্যাবসায়ী খুনের ঘটনায় গ্রেফতার দুই।
নিজস্ব সংবাদদাতা, সল্টলেক
  • শেষ আপডেট: ০৮ নভেম্বর ২০২৫ ০৪:৫৯

সল্টলেকের  দত্তাবাদে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে খুনের ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল বিধাননগর পুলিশ। শনিবার ওই দু’জনকেই বিধাননগর আদালতে হাজির করানো হয়েছে। স্বর্ণ ব‍্যবসায়ীকে খুনের ঘটনায় এই দু’জনের ভূমিকা রয়েছে বলে আদালতে দাবি করেছে পুলিশ।

ধৃতদের নাম রাজু ঢালি এবং তুফান থাপা। জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণ দক্ষিণবঙ্গে এলে তাঁর গাড়ি চালাতেন রাজু ঢালি। অন্য দিকে, পেশায় ঠিকাদার তুফান থাপা বিডিওর বন্ধু বলে জানা যাচ্ছে। দত্তাবাদে গয়নার দোকানের মালিক স্বপন কামিল্যাকে খুনে এঁদের ভূমিকা রয়েছে বলে আদালতে দাবি করেছেন তদন্তকারীরা।

এই ঘটনার পরে বিতর্কের জড়ান রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মন। গতকাল শুক্রবার বিডিও প্রশান্ত বলেন, “আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে। সংবাদমাধ্যম আমাকে ‘দাবাং বিডিও’ বলেছিল। আমি ঠিকাদারদের দুর্নীতি বন্ধ করেছি। জমি মাফিয়াদের আটকে দিয়েছি। সিন্ডিকেটরাজও বন্ধ করেছি। স্কুল-রাস্তা করেছি। মানুষের বিপদেও ছুটে গিয়েছি।” তিনি এ-ও জানান, বিধাননগর পুলিশের তরফে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তদন্তে সহযোগিতা করছেন তিনি। যদিও প্রশান্তের দাবি, তাঁর বা তাঁর বাড়ির কারও গয়না চুরি যায়নি এবং তিনি চুরির তদন্ত করেননি।

উল্লেখ্য, গত ২৯ অক্টোবর নিউ টাউন থানা এলাকার যাত্রাগাছি থেকে উদ্ধার হয়েছিল ৪০ বছরের স্বপনের ক্ষতবিক্ষত দেহ। স্বর্ণকারের পরিবারের অভিযোগ, তাঁর মৃত্যুর আগের দিন, অর্থাৎ ২৮ অক্টোবর গয়নার দোকানে হাজির হয়েছিলেন রাজগঞ্জের বিডিও। স্বপন এবং ওই বাড়ির মালিক গোবিন্দ বাগকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। চুরির গয়না স্বপনের দোকানে বিক্রির তদন্ত করতে গিয়ে ওই পদক্ষেপ করেন। ঠিক তার পরের দিনই স্বর্ণকারের দেহ উদ্ধার হয়।


Share