Special Intensive Revision

এক দিনও কাজেই যোগ দেননি! কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ, তিন জন মাইক্রো অবজার্ভারকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন

কমিশনের দাবি, এতে এসআইয়ের কাজে ব‍্যাঘাত ঘটেছে। মানুষের অসুবিধা হয়েছে। এর আগেও এই তিন জনকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। তাতেও কর্ণপাত করেনি তাঁরা।

রাজ্যের মুখ‍্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৮

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে চার সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে। সাত জন রাজ‍্য সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড (নিলম্বিত) করেছে নির্বাচন কমিশন। এ বার তিন জন মাইক্রো অবজার্ভারকে সাসপেন্ড (নিলম্বিত) করল নির্বাচন কমিশন। তাঁদের বিরুদ্ধেও কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

কমিশন সূত্রের খবর, তিন জনই উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় মাইক্রো অবজার্ভারের দায়িত্বে ছিলেন। দু’জন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কর্মী এবং এক জন আয়কর দফতরের কর্মী। দুই ব‍্যঙ্ককর্মীদের একজন ইউকো ব্যাঙ্কের অপর জন গ্রামীণ ব্যাঙ্কের কর্মী।

কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জেলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনের রোল অবজার্ভারের কাছে অনেক দিন ধরেই অভিযোগ আসছিল। তিনি সেখানে নিজেও সশরীরে পর্যবেক্ষণে যান। তিনি জানতে পারেন এই তিন মাইক্রো অবজার্ভারকে নিয়োগ করা সত্ত্বেও তাঁরা এক দিনও কাজে যোগ দেননি। উল্টে তাঁরা নিজেদের কাজে হাজিরা দেওয়ার রেজিস্ট্রারে ‘প্রক্সি’ দিয়েছেন।

কমিশনের দাবি, এতে এসআইয়ের কাজে ব‍্যাঘাত ঘটেছে। মানুষের অসুবিধা হয়েছে। এর আগেও এই তিন জনকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। তাতেও কর্ণপাত করেনি তাঁরা। সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট কমিশনের রোল অবজার্ভার রবি কান্ত সিইও দফতরে রিপোর্ট দেন। তাতে কর্তব্যে গাফিলতির রয়েছে বলে মনে করেছে নির্বাচন কমিশন।

তাঁরা বর্তমানে কমিশনের হয়ে কাজ করছে। তাই তাঁকে সাসপেন্ড করে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ছ’মাসের মধ্যে বিভাগীয় তদন্ত শেষ করে রাজ‍্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠাতে বলা হয়েছে। কমিশন সংশ্লিষ্ট দফতরকে এটাও বলেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে কী চূড়ান্ত পদক্ষেপ করা হচ্ছে তা নিশ্চিত করার আগে রাজ‍্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে আলোচনা করতেও বলা হয়েছে।


Share