Special Intensive Revision

নজিরবিহীন! নির্দেশ সত্ত্বেও রাজি হয়নি রাজ‍্য সরকার, এই প্রথম সাত সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড করে দিল নির্বাচন কমিশন

মুখ্যসচিবকে পাঠানো চিঠিতে কমিশন‌ নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছে, ওই সাত আধিকারিককে অবিলম্বে সাসপেন্ড করতে হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে পদক্ষেপ করতে হবে। এই নির্দেশ মানায় দেরি করা চলবে না।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৬:৫৩

নজিরবিহীন। এই প্রথম নির্বাচনের কাজে গাফিলতির অভিযোগে কোনও রাজ‍্য সরকারি আধিকারিককে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন। রাজ‍্যে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর কাজে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছিল সাত সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে। রবিবার নির্বাচন কমিশনকে সাত জনকেই সাসপেন্ড করতে রাজ‍্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ কার্যকর না করায় কড়া পদক্ষেপ করতে বাধ্য হল কমিশন।

এই সাত জনের মধ্যে তিন‌ জনই রয়েছেন মুর্শিদাবাদ জেলার, দু’জন দক্ষিণ ২৪ পরগনার, একজন জলপাইগুড়ির এবং এক জন পশ্চিম মেদিনীপুরের আধিকারিক। জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং পূর্বের দুই এইআরও সত্যজিৎ দাস এবং জয়দীপ কুণ্ডু, জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির এইআরও ডালিয়া রায়চৌধুরী, মুর্শিদাবাদের সমশেরগঞ্জের এইআরও শেফাউর রহমান, ফরাক্কার এইআরও নীতীশ‌ দাস, সুতির এইআরও শেখ মুর্শিদ আলমকে এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরার এইআরও দেবাশিস বিশ্বাসকে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

মুখ্যসচিবকে পাঠানো চিঠিতে কমিশন‌ নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছে, ওই সাত আধিকারিককে অবিলম্বে সাসপেন্ড করতে হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে পদক্ষেপ করতে হবে। এই নির্দেশ মানায় দেরি করা চলবে না। এই নির্দেশ পাওয়ার পরে রাজ্য কী পদক্ষেপ করছে, তা-ও নির্বাচন কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে।

রাজ‍্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল স্পষ্ট জানান, “কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। সবাইকে সীমিত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। সবাই যাঁরা কাজ করছেন, তাঁরা যথেষ্ট অভিজ্ঞ আধিকারিক। তাই নির্বাচন কমিশনের যা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা মেনেই কাজ করতে হবে।”


Share