Forced Conversion

মুম্বইয়ের পরে উত্তরপ্রদেশ, এ বার পুলিশের কনস্টেবলকে জোর করে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করতে চাপ, গ্রেফতার অভিযুক্ত মহিলা

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রবীণ সিং চৌহান জানান, উত্তরপ্রদেশে অবৈধ ধর্মান্তর বিরোধী আইন-সহ প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি আইনেও অভিযোগ আনা হয়েছে।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৫৭

টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসের নাসিকের ইউনিটের পরে এ বার পুলিশের কনস্টেবলকে ধর্মান্তরকরণের জন‍্য চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশে ঘটেছে। অভিযোগ, তাঁকে বিয়ে করতে বলেছিল ওই মহিলা। তার জন‍্য ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন‍্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। এমনকী, ধর্ষণের মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়েছিল। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

ধৃত মহিলার নাম মোবাশিরিন ওরফে হিনা। হিনা আদতে দিল্লির বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর, গত শনিবার উত্তরপ্রদেশের খেকড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন শীকান্ত নামে এক পুলিশের কনস্টেবল। শ্রীকান্ত উত্তরপ্রদেশের ডায়াল ১১২ পুলিশ পরিষেবায় কর্মরত রয়েছেন।

শ্রীকান্তের অভিযোগ, ২০২২ সাল থেকে মোবাশিরিন ওরফে হিনা গাজিয়াবাদে কর্মরত ছিল। সেই সময় তার সঙ্গে পরিচয় হয়। পরবর্তীতে ওই মহিলা শ্রীকান্তকে ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ে করার জন্য চাপ দিতে থাকে। কনস্টেবলের দাবি, তিনি প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওই মহিলা তাঁকে ধর্ষণের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেয়। এর ফলে বাধ্য হয়ে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তার পরে চাপে পড়ে বিয়ে করেন। এ ছাড়াও, বিয়ের পরেও ওই তাঁকে নিয়মিত ব্ল্যাকমেল করত বলেও অভিযোগ করেছেন পুলিশ কনস্টেবল শ্রীকান্ত। 

গত শনিবার কনস্টেবল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মোবাশিরিনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ধৃতকে রবিবার আদালতে হাজির করানো হয়। আদালত মোবাশিরিন ওরফে হিনাকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ওই মহিলা পুলিশ কনস্টেবলকে দিল্লির একটি মসজিদে নিয়ে যায়। সেখানেই ধর্মান্তর সংক্রান্ত নথিপত্র তৈরি করা হয়। এ ছাড়াও, তাঁকে ধর্মীয় (ইসলাম) কার্যকলাপে অংশ নিতে চাপ দেওয়া হয়। জামাতে যোগ দেওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রবীণ সিং চৌহান জানান, উত্তরপ্রদেশে অবৈধ ধর্মান্তর বিরোধী আইন-সহ প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি আইনেও অভিযোগ আনা হয়েছে।


Share