Delhi blast

‘আঁতুড়ঘরে’ এনআইএ-এর অভিযান! লখনউ, কানপুর, সহারনপুর ফরিদাবাদ থেকে মূল চক্রী ও স্থানীয় মদতকারীদের সন্ধানে ঝাঁপ তদন্তকারীদের

দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ-র বৃহত্তর অভিযান। লখনউ, কানপুর-সহ পাঁচ শহরে চলছে তল্লাশি। 'ডক্টর টেরর মডিউল' ও স্থানীয় মদতদাতাদের খোঁজে সক্রিয় তদন্তকারী সংস্থা।

দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ড
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০২৫ ০২:০৭

দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে স্থানীয় মদতকারীদের সন্ধানে আরও সক্রিয় হয়েছে এনআইএ। উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা এবং জম্মু-কাশ্মীরের পাঁচটি শহরে—লখনউ, কানপুর, সহারনপুর, ফরিদাবাদ এবং জম্মু-কাশ্মীরে তদন্তকারী সংস্থা বৃহত্তর তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, এই অঞ্চলগুলিকেই জঙ্গি মডিউলের প্রধান ‘আঁতুড়ঘর’ হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে।

সূত্র জানাচ্ছে, বৃহস্পতিবার ফরিদাবাদের আল ফালাহ্‌ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটনার পুনর্গঠন করার জন্য বিস্ফোরণকাণ্ডে ধৃত চিকিৎসক শাহীন সইদকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর তাঁকে লখনউ এবং কানপুরে নিয়ে যাওয়া হবে বলেও জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের ধারণা, ‘ডক্টর টেরর মডিউল’-এর সদস্যদের কে কে সাহায্য করেছিলেন এবং স্থানীয় স্তরে কারা সমস্ত ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন তা খুঁজেই এগোচ্ছে তদন্ত।

ধৃত সাত অভিযুক্তের ফোন, ডিজিটাল ডিভাইস, বিভিন্ন সময়ে তাঁরা কোথায় আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং কাদের থেকে সহযোগিতা পেয়েছিলেন এসব দিক খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসক-নেটওয়ার্কের উপর নজরদারি শুরু হলেও তদন্তকারীদের সন্দেহ, আরও কিছু উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি নিজেদের পেশার আড়ালে জঙ্গি কার্যকলাপ চালিয়ে যেতে পারেন। সেই বৃহত্তর নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়াই মূল লক্ষ্য। এ ছাড়াও ধৃত চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত যোগাযোগ, উত্তরপ্রদেশ ও ফরিদাবাদে তাঁদের কার সঙ্গে দেখা হয়েছিল সেসব খোঁজও চলছে।

ফোন বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, উত্তরপ্রদেশের একাধিক শহর জুড়ে এই নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে রয়েছে। সহারনপুরে ব্যবহার করা গাড়িটি পরীক্ষা করা হচ্ছে। পাশাপাশি কানপুরে একটি গোপন আস্তানারও হদিস মিলেছে। যারা সরাসরি বিস্ফোরণ ঘটায়নি, কিন্তু বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করেছে তাদের প্রত্যেকের ভূমিকা আলাদা করে যাচাই করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ নভেম্বর দিল্লির লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি গাড়িবোমা বিস্ফোরণ ঘটে। ভয়াবহ ওই বিস্ফোরণে ১৫ জন প্রাণ হারান এবং বহু মানুষ আহত হন। ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাত জনকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ।


Share