Mothabari Incident

ভোটের প্রচার চলাকালীন তুলে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ এনআইএ-র, ছাড়া পেয়ে চক্রান্তের অভিযোগ কংগ্রেস প্রার্থী সায়েমের

অন্যদিকে, মোথাবাড়িতে সাত বিচারককে আটকে রাখার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিন জনকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন দুই কংগ্রেস নেতা একজন ছাত্র পরিষদের এবং অন্যজন আইএনটিইউসি-এর সঙ্গে যুক্ত।

সায়েম চৌধুরী
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদহ
  • শেষ আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৫৬

ভোটের প্রচার চলাকালীনই তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়ে সারাদিন জিজ্ঞাসাবাদ করে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি। পরে মুক্তি পেয়ে আবার প্রচারে ফেরেন মালদহের মোথাবাড়ি কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী সায়েম চৌধুরী, ওরফে বাবু। সোমবার সকালে প্রচারে বেরোনোর পর তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে সারাদিন আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করার মধ্যে রাজনৈতিক চক্রান্ত রয়েছে। তাঁর আরও দাবি, ভোটের মুখে তাঁর মোবাইল ফোনও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, মোথাবাড়িতে সাত বিচারককে আটকে রাখার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিন জনকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন দুই কংগ্রেস নেতা একজন ছাত্র পরিষদের এবং অন্যজন আইএনটিইউসি-এর সঙ্গে যুক্ত।

রবিবারই গ্রেফতার করা হয় আরএসএস নেতা গোলাম রব্বানিকে। একই দিনে কংগ্রেস প্রার্থী সায়েম চৌধুরীর সঙ্গে আটক করা হয়েছিল শাহদাত হুসেন ও আসিফ শেখ নামে দুই কংগ্রেস কর্মীকে। পরবর্তীতে তাঁদেরও গ্রেফতার করা হয়। শাহদাত স্থানীয় আইএনটিইউসি ব্লক সভাপতি এবং আসিফ ছাত্র পরিষদের নেতা। এনআইএ-র প্রাথমিক তদন্তে দাবি, গোটা ঘটনাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল। অভিযুক্ত তিন জনই ঘটনার আগে আলাদা আলাদা বৈঠক করেছিলেন বলে তদন্তকারীদের নজরে এসেছে।

রবিবার সারাদিন জিজ্ঞাসাবাদের পর সোমবার ভোরে ছাড়া পান সায়েম চৌধুরী। তিনি জানান, আলিনগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় প্রচার ও র‌্যালির সময়ই এনআইএ-র দল তাঁদের আটক করে।

সায়েমের বক্তব্য, ‘এনআইএ-র আধিকারিকরা বলেন, তাঁদের সিনিয়ররা কথা বলতে চান। ফরাক্কা টাউনশিপে ক্যাম্পে যেতে হবে। ১ এপ্রিলের ঘটনার জন্য আমাদের ডিটেন করে। আমি বলেছিলাম, প্রচার শেষে যাব। অনুমতি দেননি। যদিও জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে তদন্তকারীরা কোনও খারাপ ব্যবহার করেননি। তবে আমার মোবাইল ফোন সিজ় করেছে। আমার একটাই নম্বর। এখানে কর্মীরা যোগাযোগ করেন, ব্যাঙ্কের যাবতীয় সব এই নম্বরের সঙ্গে লিঙ্ক করা। আমার তো হাবভাব দেখে মনে হয়েছে, এটা চক্রান্ত।’


Share