DA

নবান্নে পৌঁছল শিক্ষা দফতরের ডিএ ফাইল, অনুমোদন মিললেই মিলতে পারে বকেয়া, শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের জন্য বড় সুখবরের ইঙ্গিত

দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহেই বিকাশ ভবন থেকে এই ফাইল পাঠানো হয়েছে। এর আওতায় রয়েছেন অধ্যাপক, আধিকারিক, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা।

নবান্ন
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ১২:০২

শিক্ষা দফতরের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ফাইল অবশেষে নবান্নে পৌঁছেছে। দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহেই বিকাশ ভবন থেকে এই ফাইল পাঠানো হয়েছে। এর আওতায় রয়েছেন অধ্যাপক, আধিকারিক, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা।

সূত্রের খবর, স্কুলশিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা দফতর পৃথকভাবে বকেয়া ডিএ-র হিসাব শুরু করেছিল। সেই প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও অধ্যাপক ও কর্মীদের প্রাপ্য সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সব তথ্য একত্রিত করে চূড়ান্ত হিসাব প্রস্তুত করার পরই ফাইলটি নবান্নে পাঠানো হয়েছে।

প্রশাসনিক মহলের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ডিএ পাওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত এগোতে পারে। কারণ, বিষয়টি এখন নীতিগত সিদ্ধান্তের স্তরে পৌঁছেছে। ফাইল অনুমোদন পেলেই পরবর্তী আর্থিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের ভিত্তিতেই রাজ্য সরকার এই বকেয়া ডিএ মেটানোর পথে এগোচ্ছে। তাই চলতি নির্বাচনী আচরণবিধি এই প্রক্রিয়ায় বাধা হয়ে দাঁড়াবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

গত ১৫ মার্চ, বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমাজমাধ্যমে জানান, শুধু রাজ্য সরকারি কর্মচারী নয়, শিক্ষক-শিক্ষিকা, পঞ্চায়েত ও পুরসভার কর্মী, স্বশাসিত সংস্থা এবং সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও ডিএ পাওয়ার অধিকারী। তিনি আরও উল্লেখ করেন, রোপা-২০০৯ অনুযায়ী ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে বকেয়া ডিএ প্রদান শুরু হবে। যদিও পরে শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে উদ্যোগ শুরু হওয়ায় শিক্ষামহলে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল।

সম্প্রতি নবান্নে অর্থ দফতরের সঙ্গে শিক্ষা দফতরসহ একাধিক দফতরের বৈঠকের পর পরিস্থিতিতে পরিবর্তন আসে। দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের দাবি, ফাইল অর্থ দফতরে পৌঁছে যাওয়ায় পর্যায়ক্রমে সব স্তরের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরাই তাঁদের প্রাপ্য ডিএ পাবেন।

দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা। সেই প্রেক্ষিতে এই অগ্রগতিকে অনেকেই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। এখন সকলের নজর রাজ্যের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে। দ্রুত অনুমোদন মিললে বহু প্রতীক্ষিত ডিএ প্রাপ্তির পথ আরও সুগম হতে পারে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট মহল।


Share