Molestation

সরকারি হাসপাতালের কর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার প্রাক্তন সুপারভাইজার

অভিযুক্তকে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করে বীরভূম জেলা যুব মোর্চার সভাপতি সমরেশ ঘোষ।

প্রতীকী চিত্র
নিজস্ব সংবাদদাতা, সিউড়ি
  • শেষ আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬ ০২:২৯

বীরভূমের সিউড়িতে সরকারি হাসপাতালের এক চুক্তিভিত্তিক কর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নির্যাতিতার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ধৃত ব্যক্তি ওই হাসপাতালেরই প্রাক্তন সুপারভাইজার বলে জানা গিয়েছে। বর্তমানে তিনি কনস্টেবল পদে কর্মরত। সোমবার রাতে তাঁর বিরুদ্ধে সিউড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তারপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। একই রাতে নির্যাতিতার শারীরিক পরীক্ষাও করানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, নির্যাতিতা ২০১৭ সালে একটি বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে কাজে যোগ দেন। সেই সময় অভিযুক্ত ওই সংস্থার সুপারভাইজার ছিলেন। অভিযোগ, ২০১৯ সাল থেকে তাঁকে ধারাবাহিকভাবে যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। হাসপাতালের একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে অভিযুক্ত জোরপূর্বক তাঁকে একাধিকবার ধর্ষণ করতেন বলে তরুণী অভিযোগ জানিয়েছেন।

দীর্ঘদিন ধরে এই ঘটনা চলতে থাকে। ঘটনার জেরে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। অভিযুক্তের হুমকির কারণে এতদিন থানার দ্বারস্থ হতে পারেননি বলেও তিনি দাবি করেন। নির্যাতিতার বক্তব্য, একসময় তিনি আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছিলেন। তবে তাঁর স্বামী বিষয়টি টের পেয়ে পান। তখনই পুরো ঘটনা সামনে আসে। এরপর পরিবারের সিদ্ধান্তে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

থানার সামনে নির্যাতিতা জানান, অভিযুক্ত তাঁকে নিয়মিত খুনের হুমকি দিত। এমনকি তাঁর স্বামীকেও প্রাণে মেরে ফেলার ভয় দেখানো হয়েছিল। সেই কারণেই তিনি দীর্ঘদিন মুখ খুলতে পারেননি। এ দিন নির্যাতিতার সঙ্গে থানায় উপস্থিত ছিলেন তাঁর এক পরিচিত ব্যক্তি। তিনি অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। 

অন্য দিকে, অভিযুক্তকে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করে বীরভূম জেলা যুব মোর্চার সভাপতি সমরেশ ঘোষ বলেন, নির্যাতিতা তাঁদের কাছে সাহায্যের জন্য এসেছিলেন। পরে তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তার ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সিউড়ি থানার পুলিশ।


Share