Special Intensive Rivision

এসআইআরে ব‍্যবহার করা যাবে না প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বা বাংলার বাড়ির নথি, সিইও-কে জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন

২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবরের এসআইআর নোটিসে ভারতের নির্বাচন কমিশন জানায়, সরকার অনুমোদিত বাড়ি বা জমির শংসাপত্র নথি হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে। এর ফলে অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ায়।

নির্বাচন কমিশন
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৪:০০

কেন্দ্রীয় সরকারের ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’ বা ‘বাংলার বাড়ি’ সংক্রান্ত নথি কোনও ভাবেই গ্রহণ করা হবে না রাজ্যের ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর কাজে। সোমবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়ালকে জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। এই সংক্রান্ত ধোঁয়াশা দুর করতে কমিশনের কাছে জানতে চেয়েছিল সিইও-র দফতর। এ দিন তা স্পষ্ট করে দিয়েছে নির্বাচন সদন।

২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবরের এসআইআর নোটিসে ভারতের নির্বাচন কমিশন জানায়, সরকার অনুমোদিত বাড়ি বা জমির শংসাপত্র নথি হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে। এর ফলে অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ায়। অনেকে ধরে নেন, কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের বাড়ি নির্মাণে আর্থিক সহায়তার প্রকল্পের কাগজ দেখালেই এসআইআরের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে, এবং সেই অনুযায়ী শুনানিতে ওই নথি জমাও পড়ে।

বিভ্রান্তি মেটানোর জন্য কমিশনের কাছে ব্যাখ্যা চান সিইও মনোজকুমার আগরওয়াল। গত ২১ জানুয়ারি বিষয়টি জানতে চেয়ে তিনি নয়াদিল্লিতে কমিশনের সদর দফতরে চিঠি দেন। সোমবার তার জবাব এসেছে। কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, ওই দুই প্রকল্পের নথি এ ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য নয়।

সিইও-কে দেওয়া ব্যাখ্যায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট-এর নির্দেশের উল্লেখ করা হয়েছে। ৯ ফেব্রুয়ারির নির্দেশে শীর্ষ আদালত জানায়, যাঁরা এসআইআর নোটিস পাচ্ছেন তাঁরা শুধু এসআইআর সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত নথির উপর নির্ভর করতে পারবেন। ১৯ জানুয়ারির নির্দেশিকায় যে নথিগুলির কথা বলা হয়েছে, সেগুলিও গ্রহণযোগ্য হবে। কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে সরকারের দেওয়া জমি বা বাড়ির শংসাপত্রের কথা উল্লেখ থাকলেও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বা বাংলার বাড়ি প্রকল্পের আর্থিক সাহায্যের অনুমোদন তার মধ্যে পড়ে না। তাই এই নথি গ্রহণ করা যাবে না।

রাজ্যে এসআইআরের শুনানি পর্ব শেষ হয়েছে এবং এখন নথি যাচাই চলছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা কমিশনের। যাঁরা শুনানিতে ওই দুই প্রকল্প সংক্রান্ত নথি দিয়েছেন, তাঁদের কাছে বিকল্প নথি চাওয়া হতে পারে। কমিশন শুরু থেকেই কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং জানিয়েছে, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম তালিকায় থেকে গেলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Share