TMC Political Crisis

নিরাপত্তা প্রত‍্যাহার নিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আর্জি মঞ্জুর করলেন বিচারপতি

গত ৪মে-র পরে আচমকা এই স্তরের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। বিষটি নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

নিরাপত্তা প্রত‍্যাহার নিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:০৯

২০১৬ সাল থেকে Z+ নিরাপত্তা পেয়ে আসছি। গত ৪মে-র পরে আচমকা এই স্তরের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। বিষটি নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, দেশ জুড়ে সাংসদদের এই স্তরের নিরাপত্তা কেন্দ্রীয় সরকার দিয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনে বিজেপি জেতার পরেই তাঁর এই স্তরের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি হাই কোর্টকে জানিয়েছেন। সর্বভারতীয় মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবীর বক্তব্য, “রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের সাধারণ সম্পাদক। বিধানসভা নির্বাচনের আগে তিনি জ়েড প্লাস নিরাপত্তা পেতেন। নির্বাচনের পরে তাঁর নিরাপত্তাবাহিনী তুলে নেওয়া হয়েছে। বেশ কয়েক বার আক্রান্ত হয়েছেন আমার মক্কেল। বর্তমানে তাঁর কোনও নিরাপত্তা নেই। শুধু কয়েক জন হাউস গার্ড রয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে দ্রুত শুনানি করা হোক।”

বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আবেদন করেছেন। জরুরি ভিত্তিতে মামলাটি শুনানির আর্জি বিচারপতি রাও মঞ্জুর করেছেন। আগামী ৬ অক্টোবর এই মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ওই দিনই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এই বিষয়ে রাজ‍্যের কী বক্তব‍্য রয়েছে তা বিচারপতি কৃষ্ণা রাও শুনবেন বলে জানিয়েছেন।

ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও অভিযোগ, নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পরে বিভিন্ন সময়ে তাঁর ওপরে হামলা হয়েছে। তাঁর হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়িতেও হামলা হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফলের পরে তিনি বারুইপুরে মৃত তৃণমূলকর্মীর বাড়িতে যাওয়ার সময় হামলার মুখে পড়েছিলেন বলেও হলফনামায় উল্লেখ করেছেন অভিষেক। তাঁর দাবি, তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই আগের Z+ স্তরের নিরাপত্তা প্রত‍্যাহারের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার দাবি অভিষেক জানিয়েছেন।


Share