Special Intensive Rivision

এসআইআর নিয়ে 'স্বচ্ছতা'র দাবিতে সরব তৃণমূল, বাংলার গণ্ডি ছাড়িয়ে দিল্লিতে কমিশনের দফতরে ১০ সাংসদদের ডেপুটেশন

এসআইআর নিয়ে প্রতিবাদ এবার দিল্লিতে। শুক্রবার সরাসরি রাজধানীতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে জরুরি বৈঠকে গেল তৃণমূলের দশ সদস্যের সাংসদ-দল। ১০ সদস্যের দলে কারা?

ভারতের নির্বাচন কমিশন
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ২৮ নভেম্বর ২০২৫ ০২:২৩

দিল্লিতেও তুঙ্গে উঠল এসআইআর-বিরোধী আন্দোলন। বাংলার গণ্ডি পেরিয়ে শুক্রবার সরাসরি রাজধানীতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে জরুরি বৈঠকে গেল তৃণমূলের দশ সদস্যের সাংসদ-দল। দলের রাজ্যসভা সংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েনের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধি দল সকালেই পৌঁছে যায় কমিশন দফতরে।

গত সোমবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, দিল্লির মাটিতেও এসআইআর-এর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামবে তৃণমূল। সে অনুযায়ী তিনি দশ সাংসদের একটি প্রতিনিধি দল গঠন করেন। তিনি নির্দেশ দেন দিল্লিতে গিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করতে হবে। দলে রয়েছেন ডেরেক ও’ ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, দোলা সেন, মহুয়া মৈত্র, প্রকাশ চিক বরাইক, সাজদা আহমেদ, মমতাবালা ঠাকুর, প্রতিমা মণ্ডল এবং সাকেত গোখলে।

প্রথমে কমিশন জানায়, বৈঠকে ১০ জন নয়, মাত্র ৫ জন তৃণমূল সাংসদ অংশ নিতে পারবেন। কিন্তু তৃণমূল স্পষ্ট জানিয়ে দেয় সবাই মিলে-ই তারা বৈঠকে যাবেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, “যদি নির্বাচন কমিশনার সত্যিই স্বচ্ছ্ব হয়, তাহলে মাত্র ১০ জন সাংসদকে ভয় কীসের? খোলাখুলি বৈঠক করুন না। আমাদের কাছে পাঁচটা প্রশ্ন রয়েছে। লাইভ টেলিকাস্টে এই সোজাসাপ্টা পাঁচ প্রশ্নের জবাব দিন।” শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের চাপের মুখে কমিশন নিয়ম শিথিল করে ১০ সাংসদকেই বৈঠকের অনুমতি দেয়।

তবে সংঘাতের আরেকটি দিকও সামনে আসে। অভিষেক সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি জানান, বৈঠকটি লাইভ টেলিকাস্ট করা উচিত—যাতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে। তাঁর বক্তব্য, “আমাদের সাংসদরা মানুষের দ্বারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য কমিশনারদের মতো নয়, যাঁদের হাত সরকারের হাতে বাঁধা। বেছে বেছে বৈঠকের কিছু অংশ ফাঁস করা হবে যাতে বোঝানো হবে কমিশন খুব স্বচ্ছ্ব, সেসব চলবে না।” যদিও লাইভ টেলিকাস্টের দাবি মানা হয়নি কমিশনের তরফে।


Share