Next CJ Announced

দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হবেন সূর্যকান্ত, উত্তরসূরির নাম প্রস্তাব করলেন বিআর গবই

২০০৪ সালে বিচারপতি কান্ত পঞ্জাব ও হরিয়ানার বেঞ্চে বহাল হন। ২০১৮ সালে হিমাচলপ্রদেশ হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি। প্রায় ১৪ বছরেও বেশি সময় ধরে পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্টের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

পরবর্তী প্রধান বিচারপতি হবেন সূর্যকান্ত।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৫ ১০:০৫

ভারতের প্রধান বিচারপতি ভূষণ রামকৃষ্ণ গবই সূর্যকান্তকে উত্তরসূরি হিসেবে হিসেবে সুপারিশ করেছেন। আইন মন্ত্রক এই সুপারিশে অনুমোদিত হলেই বিচারপতি কান্তকে দেশের পরবর্তী প্রধান বিচারপতি করা হবে। ২০২৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিনি প্রধান বিচারপতি থাকবেন। আগামী ২৩ নভেম্বর বর্তমান প্রধান বিচারপতি গবইয়ের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তার পরেই আনুষ্ঠানিক ভাবে সূর্য কান্তকে পরবর্তী বিচারপতি করা হবে।

বিচারপতি সূর্যকান্ত আদতে হরিয়ানার বাসিন্দা। তিনি হরিয়ানার প্রথম যিনি এই পদের জন্য মনোনীত হয়েছেন। ১৯৬২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তিনি হিসার জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা শিক্ষক ছিলেন। সূর্যকান্ত গ্রামের একটি স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ১৯৪৮ সালে মহর্ষি দয়ানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনি ডিগ্রি অর্জন করেন। এর পর হিসার জেলা আদালতে আইনজীবী হিসাবে কাজ শুরু করেন। দীর্ঘদিন পঞ্জাব ও হরিয়ানায় কাজ করেন কান্ত। মাত্র ৩৮ বছর বয়সে তিনি হরিয়ানার সর্বকনিষ্ঠ এজি হিসেবে নিযুক্ত হন।

২০০৪ সালে বিচারপতি কান্ত পঞ্জাব ও হরিয়ানার বেঞ্চে বহাল হন। ২০১৮ সালে হিমাচলপ্রদেশ হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি। প্রায় ১৪ বছরেও বেশি সময় ধরে পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্টের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এর পর তিনি দেশের প্রধান বিচারপতি হতে চলেছেন।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ রায়ে নিজের অবদান রেখেছেন। যার মধ্যে জম্মু ও কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিল মামলা রায় রয়েছে। যা ভারতের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় বলে বিবেচিত হয়। তিনি আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যালঘু মর্যাদা সম্পর্কিত পূর্ববর্তী রায় বাতিলকারী বেঞ্চেও ছিলেন। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয় সংখ্যালঘু মর্যাদা পূর্ণবিবেচনায় অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। 

এর পাশাপাশি, ২০২২ সালে বিচারপতি কান্ত সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ওয়ান র‍্যাঙ্ক - ওয়ান পেনশন প্রকল্পের বৈধতা বহাল রেখেছিলেন। সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির পঞ্জাব সফরের সময় নিরাপত্তার ত্রুটি তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিটিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন বিচারপতি সূর্যকান্ত।


Share