Delhi Blast

বিস্ফোরক ভর্তি ড্রোন দিয়ে হামলার ছক! হামাস জঙ্গিদের ন‍্যায় পরিকল্পনা, শ্রীনগর থেকে এনআইয়ের জালে উমর নবি ঘনিষ্ঠ বিলাল

দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডে তদন্তে এখনও পর্যন্ত তিনটি গাড়ির যোগ মিলেছে। প্রথমটি আই-২০, যা ব্যবহার করেছিল বিস্ফোরণের মূল অভিযুক্ত উমর উন নবি। সোমবারের সেই ভয়াবহ বিস্ফোরণে গাড়িটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। ঘটনায় প্রাণ হারান ১৫ জন।

দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনায় গ্রেফতার আরও এক জঙ্গি।
নিজস্ব সংবাদদাতা, দিল্লি
  • শেষ আপডেট: ১৭ নভেম্বর ২০২৫ ১১:৩০

৭ অক্টোবর ২০২৩। বিস্ফোরক ভর্তি ড্রোন দিয়ে ইজরায়েলে হামলা চালিয়েছিল হামাস জঙ্গিরা। সেই রকমই পরিকল্পনা করা হয়েছিল এখানেও! ১০ নভেম্বর দিল্লি বিস্ফোরণ কান্ডে গ্রেফতার আরও এক জঙ্গি। ধৃতদের নাম জসির বিলাল ওয়ানি ওরফে দানিশ। দানিশকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এমনটাই জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। তাকে শ্রীনগর থেকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। বিলাল গাড়ি বিস্ফোরণের মৃত ইসলামি জঙ্গি উমর উন নবির ঘনিষ্ঠ বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। তারা জানিয়েছে, বিলালের দিল্লি বিস্ফোরণের ঘটনায় অতপ্রত ভাবে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে।

ধৃতের জসির বিলাল ওয়ানির ওরফে দানিশের বাড়ি জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগের কাজিগুন্ডে। সোমবার তাকে শ্রীনগর থেকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, বোমা বিস্ফোরণ কান্ডে অভিযুক্তদের যাবতীয় প্রযুক্তিগত সাহায্য করেছিল। মৃত ইসলামি জঙ্গি চিকিৎসক উমর উন নবির অত‍্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বিলাল বাজারে বিক্রি হওয়া ড্রোনে বিস্ফোরক দিয়ে আরও বড় নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল। এর পাশাপাশি বানাচ্ছিল রকেটও। তা দিয়েই একাধিক জায়গায় ধ্বংসলীলা চালানোর ছক কষেছিল।

দিল্লি বিস্ফোরণ কান্ডে ধৃত বাকিদের সঙ্গেও বিলালের যোগাযোগ ছিল বলে তদন্তকারীরা মনে করছেন। এমনকি এই সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্যপ্রমাণও পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি। তবে আল ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় ধৃত ইসলামি জঙ্গি চিকিৎসকদের কোনও সূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখছে গোয়েন্দারা। তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বেশ কিছু ইলেকট্রনিক সামগ্রী পরীক্ষা করে দেখছেন তদন্তকারীরা।

দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডে তদন্তে এখনও পর্যন্ত তিনটি গাড়ির যোগ মিলেছে। প্রথমটি আই-২০, যা ব্যবহার করেছিল বিস্ফোরণের মূল অভিযুক্ত উমর উন নবি। সোমবারের সেই ভয়াবহ বিস্ফোরণে গাড়িটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়। ঘটনায় প্রাণ হারান অন্তত ১৫ জন।

এর পরেই উঠে আসে দ্বিতীয় গাড়ি— লাল 'ইকো স্পোর্ট'। খণ্ডওয়ালি গ্রাম থেকে উদ্ধার হওয়া এই গাড়ি নিয়েই চলছে জোর তদন্ত। ধারণা, বিস্ফোরণের আগেই পালানোর জন‍্য বিকল্প হিসেবে এই গাড়ি ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল।


Share