Fire Incident

হিমাচল প্রদেশের সোলানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, দুই মৃত, ধ্বংসস্তূপে আটকে বহু, উদ্ধারকাজে নামল এনডিআরএফ

সোলানের আর্কিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু দুই, আহত-আটকে বহু। গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে সাত থেকে আট বাড়ি ভস্মীভূত। এনডিআরএফ ও এসডিআরএফ উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী সুখু তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধার কাজ তদারকি করছেন।

প্রতীকী চিত্র।
নিজস্ব সংবাদদাতা, সোলান
  • শেষ আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ০৬:৫৪

হিমাচল প্রদেশের সোলান জেলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার ভোরে আর্কি এলাকার পুরোনো বাসস্ট্যান্ডে আচমকা আগুন লাগে। ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় সাত বছরের এক শিশুর। পরে এসডিআরএফ ভস্মীভূত ধ্বংসস্তূপের নীচে থেকে অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও একটি মৃতদেহ উদ্ধার করলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় দুই। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এখনও অন্তত আটজন ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে রয়েছেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন দমকল কর্মীরা। স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে আর্কির পুরোনো বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ইউকো ব্যাঙ্কের কাছে একটি কাঠের বাড়িতে প্রথম আগুন লাগে। ওই বাড়ির ভিতরে একাধিক গ্যাস সিলিন্ডার মজুত থাকায় আগুনের তাপে একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটে। তার জেরেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রায় সাত থেকে আটটি বাড়ি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে যায়।

শিমলার বালুগঞ্জ, সোলানের বনলাগি এবং অম্বুজা সিমেন্ট কোম্পানির দমকল ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়। সোলানের ডেপুটি কমিশনার মনমোহন শর্মা জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ও দমকল বাহিনী যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার ও নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে।

এনডিআরএফ ও এসডিআরএফ-এর দল ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। ধ্বংসস্তূপ সরাতে দু’টি আর্থমুভার ব্যবহার করা হচ্ছে। শিশুটির দেহ উদ্ধার করা গেলেও নিখোঁজদের জীবিত উদ্ধারের আশা ক্রমেই ক্ষীণ হচ্ছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি, কোথাও পকেট ফায়ার রয়েছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু। তিনি জানান, উদ্ধারকাজ এখনও চলছে এবং আটকে পড়া মানুষদের দ্রুত বের করে আনার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কী কারণে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে, কাঠের বাড়ি থেকেই আগুন ছড়াতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।


Share