Bongaon Municipality

মাসখানেকের অচলাবস্থার অবসান! বনগাঁ পুরসভার নতুন চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, রবিবারেও খোলা থাকবে পুরসভা

দীর্ঘ অচলাবস্থার অবসান বনগাঁ পুরসভায়। সর্বসম্মতিতে চেয়ারম্যান দিলীপ মজুমদার, ভাইস চেয়ারম্যান জ্যোৎস্না আঢ্য। রবিবার জন দরবার, উন্নয়ন ও পানীয় জলে জোর নতুন বোর্ডের।

বনগাঁ পুরসভা
নিজস্ব সংবাদদাতা, বনগাঁ
  • শেষ আপডেট: ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৬:৫২

শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ অচলাবস্থার অবসান হল বনগাঁ পুরসভায়। শনিবার তলবি সভায় কাউন্সিলারদের সর্বসম্মতিক্রমে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হলেন দিলীপ মজুমদার। ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন জ্যোৎস্না আঢ্য।

নতুন চেয়ারম্যান দায়িত্ব গ্রহণের পরই উন্নয়নের কাজে গতি আনার বার্তা দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি ঘোষণা করেছেন, এ বার থেকে প্রতি রবিবার দুপুর ১১ টা থেকে ১' টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা সাধারণ মানুষের জন্য খোলা থাকবে বনগাঁ পুরসভা। ওই সময়ে তিনি নিজে উপস্থিত থেকে নাগরিকদের অভাব-অভিযোগ শুনবেন।

এর আগে বনগাঁ পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন গোপাল শেঠ। দল তাঁর কাছে পদত্যাগের আবেদন জানালেও তিনি প্রথমে তা মানতে চাননি। এর জেরেই প্রায় এক মাস ধরে পুরসভায় চেয়ারম্যানহীন অবস্থায় অচলাবস্থা তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর গত ১০ ডিসেম্বর তিনি চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেন। এরপর নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচনের জন্য শনিবার তলবি সভা ডাকা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন মোট ২০ জন কাউন্সিলার। তাঁদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তেই বনগাঁ পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার দিলীপ মজুমদারকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়।

দীর্ঘদিনের কাউন্সিলার দিলীপ মজুমদার পেশায় সোনার ব্যবসায়ী। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের একজন বর্ষীয়ান নেতা হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর স্বচ্ছ রাজনৈতিক ভাবমূর্তির কারণেই দল তাঁকে এই দায়িত্বে বসিয়েছে বলে দলীয় সূত্রের খবর।

ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জ্যোৎস্না আঢ্য। তিনি আগেও এই পদে ছিলেন। যদিও প্রাক্তন চেয়ারম্যান গোপাল শেঠ ছুটিতে যাওয়ার আগে তাঁকে ওই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। শনিবারের তলবি সভায় ফের তাঁকেই ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়।

বনগাঁ পুরসভার এক্সিকিউটিভ অফিসার সুরেশচন্দ্র হীরা জানান, দীর্ঘদিন চেয়ারম্যান না থাকায় একটি অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হলেও শহরের উন্নয়ন ও দৈনন্দিন নাগরিক পরিষেবা সচল ছিল।

চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে দিলীপ মজুমদার বলেন, ‘বনগাঁ পুরসভা এলাকায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার নাগরিক আছেন। তাঁদের কাছে উন্নয়ন পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের প্রথম লক্ষ্য।’

অন্যদিকে ভাইস চেয়ারম্যান জ্যোৎস্না আঢ্য জানান, ‘আগামী বিধানসভা নির্বাচনের আগে বনগাঁয় বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেওয়াটাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য থাকবে।’


Share