Special Intensive Revision

ফের নির্বাচন কমিশনের নিয়মকে বুড়ো আঙুল, চিকেন পক্স নিয়েই শুনানির হাজিরা দিতে বাধ্য করা হল পুলিশ কর্মীকে

চিকেন পক্সে আক্রান্ত পুলিশ আধিকারিকের নাম আজিজুর রহমান। তিনি চন্দননগর কমিশনারেটের অধীনে চুঁচুড়া আদালতের জিআরও অফিসে কর্মরত রয়েছেন।

আজিজুল রহমান
নিজস্ব সংবাদদাতা, শ্রীরামপুর
  • শেষ আপডেট: ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:০১

কমিশনের নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এসআইআর-এর শুনানিতে তাঁকে কেন্দ্রে ডাকা হল এক চিকেন পক্সে আক্রান্ত এক ব‍্যক্তিকে। হুগলির শ্রীরামপুরের ঘটনায়টি ঘটেছে। তিনি পেশায় পুলিশ আধিকারিক। এমন রোগে আক্রান্ত রোগীকে কীভাবে শুনানির জন্য কেন্দ্রে ডাকা হল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

চিকেন পক্সে আক্রান্ত পুলিশ আধিকারিকের নাম আজিজুর রহমান। তিনি চন্দননগর কমিশনারেটের অধীনে চুঁচুড়া আদালতের জিআরও অফিসে কর্মরত রয়েছেন। আজিজুর রিষড়া খটির বাজারে এলাকার বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, তার ২০০২ সালের তালিকার সঙ্গে শেষ প্রকাশিত ভোটার তালিকায় নামে মিল নেই। অর্থাৎ তাঁর তথ‍্যগত অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। তাই তাঁর নামে নোটিস জারি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে শ্রীরামপুরের ইউনিয়ন হাইস্কুলের শুনানিকেন্দ্রে আসতে বলা হয়েছে। 

এ দিন তাঁকে এসআইআরের লাইনে দেখা গিয়েছে। চিকেন পক্সে আক্রান্ত আজিজুল রহমানের কথায়, তাঁকে চিকিৎসক বাড়িতে বিশ্রাম নিতে বলেছেন। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন সমেত তিনি শুনানিকেন্দ্রে হাজির হয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, তিনি শারীরিক ভাবে অসুস্থতার কথা এইআরও-কে জানিয়েছিলেন। 

এর আগে নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তি জারি করে এমন ভোটারদের শুনানিকেন্দ্রে ডাকা যাবে না বলে জানিয়েছিল। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, ৮০-ঊর্ধ্ব বা শারীরিক ভাবে অসুস্থ কাউকে শুনানি কেন্দ্রে ডাকা যাবে না। সেই সমস্ত ভোটারের বাড়িতে গিয়ে শুনানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নথিপত্রও সেখানে যাচাই করতে হবে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কীভাবে এমন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে শুনানির জন্য ডাকা হল তা নিয়ে ইআরও, এইআরও এবং বিএলও-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

আজিজুল বলেন, “ইআরও-কে বলেছিলাম। তারা বলেছে, আপনি যদি না আসতে পারেন, তাহলে বাড়ির লোককে বলবেন। তবে আমার বাড়ির লোকের কিছু কাজ রয়েছে। তাই আমায় আসতে হল।” তবে কীভাবে এমন সংক্রমিত রোগীকে লাইনে দাঁড়াতে হল তা নিয়ে ইআরও, এইআরও, বিএলও-দের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।


Share