Political Chaos

সরকার বদলেই 'দখলমুক্ত' অভিযানের দাবি, স্কুলের জমিতে যুব তৃণমূলের অফিস ও দোকানঘর তৈরির অভিযোগে সরব পঞ্চায়েত প্রধান

রতুয়া-২ নম্বর ব্লকের শ্রীপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কুমারগঞ্জ এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ২৭ শতক জমি দখল করে যুব তৃণমূলের কার্যালয় এবং একাধিক দোকানঘর তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্কুলের জমি দখল করে অবৈধ নির্মাণ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদহ
  • শেষ আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬ ০৮:৩৯

সরকার পরিবর্তনের পর সামনে এসেছে স্কুলের জমি দখল করে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ। মালদহের রতুয়া-২ নম্বর ব্লকের শ্রীপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কুমারগঞ্জ এলাকায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ২৭ শতক জমি দখল করে যুব তৃণমূলের কার্যালয় এবং একাধিক দোকানঘর তৈরি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।

অভিযোগ, কুমারগঞ্জ নিম্ন বুনিয়াদি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চত্বরে অবৈধভাবে যুব তৃণমূলের কার্যালয় নির্মাণ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সেখানে একাধিক দোকানঘরও তৈরি করে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের। অভিযোগের তির এলাকার তৃণমূল নেতা মহব্বত আলীর বিরুদ্ধে।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, বিষয়টি নিয়ে এর আগেও একাধিকবার বিডিও এবং জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের (ডিআই) দফতরে অভিযোগ জানানো হলেও কোনও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এ বার অবৈধ নির্মাণ ভাঙার দাবিতে জেলা শাসকের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল পরিচালিত শ্রীপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান আনিকুল হক। তাঁর বক্তব্য, জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়েছে যাতে জমি পরিমাপ করে যতটা অবৈধ দখল রয়েছে, তা বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলা হয়। তিনি বলেন, আগে চেষ্টা করেও দখলমুক্ত করা সম্ভব হয়নি, তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রশাসন ব্যবস্থা নিলে তা সম্ভব হবে।

এ দিকে, মালদহ উত্তর কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, সরকারি জমি দখল করে কোনও অবৈধ নির্মাণ বরদাস্ত করা হবে না। যেখানে অবৈধ দখল হয়েছে, সেখানে বুলডোজার চালিয়ে নির্মাণ ভেঙে ফেলা উচিত।

অন্য দিকে, তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরীও বলেন, কেউ যদি সরকারি জমি দখল করে অবৈধ নির্মাণ করে থাকেন, তবে আইন অনুযায়ী সেই নির্মাণ ভেঙে ফেলা উচিত। এ ক্ষেত্রে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।


Share