Clash At Arambag

প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হুগলির আরামবাগ! স্থানীয় বিজেপি কর্মী ও তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আটক ছ’জন

খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় আরামবাগ থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। ডাকা হয় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। বিজেপি নেতা সুমন তিওয়ারীও ঘটনাস্থলে পৌঁছোন। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিসর্জনকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র আরামবাগ।
নিজস্ব সংবাদদাতা, আরামবাগ
  • শেষ আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬ ০১:০৪

বিজয়া দশমীর বিসর্জনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল আরামবাগের সতীতলা এলাকা। বুধবার সন্ধ্যায় বিসর্জনের অনুষ্ঠান শেষ হতেই দুই পাড়ার মধ্যে বচসা শুরু হয়। অভিযোগ, সেই বচসা ক্রমে সংঘর্ষের চেহারা নেয়। মারধর, বাড়িতে ঢুকে হামলা এবং ভাঙচুরের অভিযোগ ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিসর্জনের সময় এলাকার কিছু শিশু আনন্দ করছিল। অভিযোগ, সেই সময় তাদের সঙ্গে বচসা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। আহত শিশুদের পরিবারের কাছে খবর পৌঁছোতেই সতীতলা এলাকার কয়েক জন প্রতিবেশী ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এরপরই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।

অভিযোগ উঠেছে, বাঁধপাড়া এলাকায় প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন যুবক সতীতলার একাংশ বাড়িতে ঢুকে মারধর ও ভাঙচুর চালিয়েছে। তাঁরা বিজেপি কর্মী বলে দাবি করা হচ্ছে। গোপাল নামে এক বিজেপি কর্মী দলবল নিয়ে এসে মহিলাদেরও মারধর করেছে বলে স্থানীয়েরা অভিযোগ তুলছে। বাড়ির একাংশ জানলার কাঁচ ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় আরামবাগ থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। ডাকা হয় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। বিজেপি নেতা সুমন তিওয়ারীও ঘটনাস্থলে পৌঁছোন। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

সূত্রের খবর, এই ঘটনায় তিনজন মহিলা ও তিনজন পুরুষ-সহ মোট ছ’জনকে পুলিশ আটক করেছে। তবে ঠিক কী কারণে সংঘর্ষের সূত্রপাত, কারা হামলায় জড়িত এবং ভাঙচুরের অভিযোগ কতটা সত্য— তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে বিজয়া দশমীর বিসর্জনকে কেন্দ্র করে এমন উত্তেজনায় আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে পুলিশ নজরদারি চালাচ্ছে।


Share