Suvendu Adhikari

বিজেপির আসন ২০৯, তবু ২৭৫ জন বিধায়কের সমর্থনের দাবি! বিধানসভার অঙ্ক বুঝিয়ে ঋতব্রত তৃণমূলকে বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

বিধানসভায় বিজেপির ২০৯টি আসন থাকলেও শক্তিপরীক্ষায় ২৭৫ জন বিধায়কের সমর্থন পাওয়ার দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর মন্তব্যে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের বিধায়কদের সমর্থন নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

রাজ‍্যের মুখ‍্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২১ অক্টোবর ২০২৬ ০৭:১০

বিধানসভায় বিজেপির আসনসংখ্যা ২০৯। কিন্তু আগামীকালই যদি বিধানসভায় শক্তিপরীক্ষা হয়, তা হলে ২৭৫ জন বিধায়কের সমর্থন পাবেন বলে দাবি করলেন রাজ‍্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বরানগরে চোরবাগান সর্বজনীনের পদপিষ্টের ঘটনায় মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এমনই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদের সমর্থন নিয়েই কি এই ইঙ্গিত, উঠছে সেই প্রশ্ন।

বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে ভাঙন এবং বিজেপির সঙ্গে যোগসাজশ নিয়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের নেতানেত্রীরা একাধিক বার দাবি করেছেন, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় আসলে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ। বুধবার সেই জল্পনা আরও উসকে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিজেপি ইতিমধ্যেই ২০৯টি আসন পেয়েছে। আগামীকাল শক্তিপরীক্ষা হলে ২৭৫ জন সমর্থন করবেন। তাঁর কথায়, “ওদের ৬৪ জনও আমার জন্য হাত তুলবে।” রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ৬৪ জন বিধায়ক ঋতব্রত তৃণমূলের বলেই ইঙ্গিত করেছেন তিনি।

সামাজমাধ্যমে সরকারের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনার জবাবও দিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, সমাজমাধ‍্যমে বা সন্ধ্যার টক শোয়ের কারণে সজল ঘোষ জেতেননি, তিনি নিজেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন। বিরোধীদের সমালোচনা প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, বিজেপির আসনসংখ্যা নিয়ে আগের পূর্বাভাসও মেলেনি।

চোরবাগান বিপর্যয় প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, প্যান্ডেলের ভিতরে নয়, বাইরে হুড়োহুড়ির ঘটনা ঘটেছে। তাঁর কথায়, ঘোষণা এবং দড়ি ফেলে দেওয়াই বিশৃঙ্খলার কারণ। নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

পাশাপাশি ডিজে ব্যবহারে সতর্কতা, পুজোর নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থার উন্নতির প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বাংলায় প্রতি এক লক্ষ মানুষের জন্য ১০৫ জন পুলিশ রয়েছে। আগের সরকার সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডের উপর বেশি নির্ভরশীল ছিল বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।


Share