Maoist Surrender

কিষেণজি ঘনিষ্ঠ দুই মাওবাদী জঙ্গি কলকাতা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ! উদ্ধার বিপুল বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ

তাঁদের নাম মঙ্গল এবং মালতী। তাঁরা সকলেই ঝাড়গ্রামের বাসিন্দা। তাঁদের কাছ থেকে একে-৪৭ এবং ইনসাস রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিপুল পরিমাণে কার্তুজ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

কিষেণজি ঘনিষ্ঠ দুই মাওবাদী জঙ্গি কলকাতা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করল।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ০১:০৯

কিষেণজি ঘনিষ্ঠ দুই মাওবাদী জঙ্গি কলকাতা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করল। তাঁদের নাম মঙ্গল এবং মালতী। তাঁরা সকলেই ঝাড়গ্রামের বাসিন্দা। তাঁদের কাছ থেকে একে-৪৭ এবং ইনসাস রাইফেল উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিপুল পরিমাণে কার্তুজ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে লালবাজারে সাংবাদিক বৈঠক করেন কমিশনার অজয় নন্দ। ছিলেন কলকাতা পুলিশের এসটিএফের যুগ্ম কমিশনার ভি এস আর অনন্তনাগও। সাংবাদিক বৈঠকে কমিশনার জানান, এই দু’জন ২০১০ সালের পরে মাওবাদী জঙ্গি সংগঠনে সঙ্গে যুক্ত হন। মাওবাদী জঙ্গি নেতা কিষেণজির ঘনিষ্ঠ ছিলেন। মঙ্গল এবং মালতী দু’জনে স্বামী-স্ত্রী। মঙ্গলের বাড়ি শালবনিতে এবং মালতীর গোপীবল্লভপুরের বাসিন্দা। পরে ঝাড়খন্ডের সারেন্ডার জঙ্গলে চলে যান। সেখানে মিসির বেসরার স্কোয়ার্ডেরও ছিলেন। ঝাড়খন্ডে তাঁদের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা রয়েছে। মঙ্গলের মাথার দাম পাঁচ লক্ষ টাকা ছিল বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ। অন‍্য দিকে, মালতীর মাথার দাম ছিল ২ লক্ষ টাকা।

মঙ্গল এবং মালতী কাছ থেকে একে-৪৭ এবং ইনসাস রাইফেল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি একে-৪৭-এর ১৪৩টি এবং ইনসাস রাইফেলের ৪৭টি কার্তুজ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তাঁদেরকে ঝাড়খণ্ড পুলিশ জেরা করবে বলে জানিয়েছেন কমিশনার অজয় নন্দ।

মঙ্গল বলেন, “সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে সমাজের পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তাই আমরা সেই পথ ছেড়ে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসতে চাই। সেই কারণে আমরা এখানে এসে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করলাম।”


Share