Fake Note Scam

চারটি আসল বাকি নকল! অভিনব কায়দায় প্রতারণার ছক বড়বাজারে, কলকাতা ও হাওড়ায় তল্লাশি চালিয়ে গ্রেফতার চার জন

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। প্রতিটি বান্ডিলের ওপরে ও নীচে একটি করে আসল ৫০০ টাকার নোট ছিল। বাকি ৯৯৮টি ছিল নোটের আকারে কাটা সাদা কাগজ ছিল। বান্ডিলগুলিতে আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের নাম-সহ ৫ লক্ষ টাকার উল্লেখ করা লেবেল লাগানো ছিল বলে পুলিশ দাবি করেছে।

জাল নোটকান্ডে গ্রেফতার চারজন।
নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা
  • শেষ আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:২৮

জাল নোট তৈরির সন্দেহে বড়বাজার থানার পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার হলে চারজন। তবে উদ্ধার হওয়া নোটের বান্ডিলের ওপরে আসল নোট ছিল। ভিতরে ছিল সাদা কাগজ। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, স্ট্র্যান্ড রোড ও মিরবাহার ঘাট স্ট্রিটের সংযোগস্থলের কাছে সন্দেহজনক নোটের বান্ডিল-সহ প্রথমে দু’জনকে আটক করা হয়। পরে তদন্তের সূত্র ধরে হাওড়া থেকে আরও দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়।

ধৃতদের নাম বিজয়পাল তানওয়ার ওরফে অরবিন্দ (২৩) এবং শিবা থাপা (২৪)। তল্লাশির সময় বিজয়পাল তানওয়ারের ব্যাগ থেকে চারটি বান্ডিল উদ্ধার হয়। বিভিন্ন দোকান আর গুদামে নগদ টাকা সরবরাহ করত। অনেক দিন ধরেই প্রতারণার চক্রের খবর পুলিশে কাছে আসছিল। গত ২৭ অক্টোবর বড়বাজার থানায় মামলা দায়ের হয়। 

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। প্রতিটি বান্ডিলের ওপরে ও নীচে একটি করে আসল ৫০০ টাকার নোট ছিল। বাকি ৯৯৮টি ছিল নোটের আকারে কাটা সাদা কাগজ ছিল। বান্ডিলগুলিতে আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের নাম-সহ ৫ লক্ষ টাকার উল্লেখ করা লেবেল লাগানো ছিল বলে পুলিশ দাবি করেছে। 

পুলিশের দাবি, চারটি বান্ডিলের কথিত মূল্য ছিল ২০ লক্ষ টাকা ছিল। কিন্তু যাচাই করে দেখা যায়, আসল মুদ্রার পরিমাণ মাত্র চার হাজার টাকা। উদ্ধার হওয়া সামগ্রী আইন মেনে বাজেয়াপ্ত করা হয়। গোটা প্রক্রিয়ার ভিডিয়োগ্রাফিও করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

তদন্তে ধৃতদের বয়ানের ভিত্তিতে সুনীলকুমার বর্মা (৪৭) এবং গোপাল গুজ্জর (২৪) নামে আরও দু’জনকে হাওড়া থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে একটি প্রিন্টার, পেপার-রিম কাটার, জে কে এক্সেল সুপার হোয়াইট বন্ড পেপারের দু’টি বাক্স, একটি সেলোটেপ মেশিন, দু’টি কাঁচি এবং কয়েকটি কালি কার্টিজ উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।


Share